শিরোনাম
ভিসা চালু, বাংলাদেশিদের আস্থা অর্জন করতে চান কলকাতার ব্যবসায়ীদের নিত্যপণ্যের বাজার নজরদারি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী বেইজিংয়ের সঙ্গে ঢাকার আলোচনা-প্রস্তাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নয়াদিল্লি বড় স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখার স্থানে নজরদারি করবে ডিবি চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে যেখানে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ খামেনির দাফনে সপ্তাহব্যাপী আনুষ্ঠানিকতা, কোন দিন কোথায় কী আয়োজন? ইরানের স্পিকার গালিবাফের সঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সাক্ষাৎ সুযোগ সৃষ্টি হলে ধাপে ধাপে জ্বালানির দাম আরও কমানো হবে মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ৪ মাস পর জনসমক্ষে আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ মাত্র ৮ মাসে সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন লিখে অনন্য কীর্তি গড়লেন কুমিল্লার সুরাইয়া
ভিসা চালু, বাংলাদেশিদের আস্থা অর্জন করতে চান কলকাতার ব্যবসায়ীদের নিত্যপণ্যের বাজার নজরদারি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী বেইজিংয়ের সঙ্গে ঢাকার আলোচনা-প্রস্তাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নয়াদিল্লি বড় স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখার স্থানে নজরদারি করবে ডিবি চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে যেখানে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ খামেনির দাফনে সপ্তাহব্যাপী আনুষ্ঠানিকতা, কোন দিন কোথায় কী আয়োজন? ইরানের স্পিকার গালিবাফের সঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সাক্ষাৎ সুযোগ সৃষ্টি হলে ধাপে ধাপে জ্বালানির দাম আরও কমানো হবে মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ৪ মাস পর জনসমক্ষে আয়াতুল্লাহ খামেনির মরদেহ মাত্র ৮ মাসে সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন লিখে অনন্য কীর্তি গড়লেন কুমিল্লার সুরাইয়া
৩ জুলাই: দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কোটাবিরোধী আন্দোলন, বিক্ষোভে উত্তাল হয় শিক্ষাঙ্গন

৩ জুলাই: দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কোটাবিরোধী আন্দোলন, বিক্ষোভে উত্তাল হয় শিক্ষাঙ্গন

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের চলমান ২০২৪ সালের ৩ জুলাই উত্তাল হয়ে উঠে দেশের শিক্ষাঙ্গন। এ দিন ময়মনসিংহে ট্রেন অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।২০২৪ সালের ৩ জুলাই ছিল বুধবার। এইদিন রাজধানী ঢাকার শাহবাগ মোড় দেড় ঘণ্টার মতো অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা। দাবি আদায়ে বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এই কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে বের হওয়া মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দোয়েল চত্বর ও সুপ্রিম কোর্টের সামনে দিয়ে শাহবাগে এসে জমায়েত হয় বিকেল পৌনে চারটার দিকে। এরপর তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখেন। আন্দোলনকারীরা বিকেল ৫টা ১২ মিনিট পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টা শাহবাগ মোড়ের সড়কে অবস্থান করেন।শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে দাবির পক্ষে ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘আঠারোর পরিপত্র-পুনর্বহাল করতে হবে’, ‘কোটা প্রথা নিপাত যাক-মেধাবীরা মুক্তি পাক’, ‘ছাত্রসমাজ গড়বে দেশ, মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’ ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘হাইকোর্ট না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। স্লোগানের ফাঁকে প্রতিবাদী গানও পরিবেশন করা হয়, পাশাপাশি চলে বক্তব্যও। শাহবাগ মোড়ের সড়কে অবস্থান নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামীকাল (৪ জুলাই) কোটা বাতিলের পরিপত্র বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের যে শুনানি রয়েছে, তার রায় যেন শিক্ষার্থীদের পক্ষে আসে। তারা আগামীকাল বেলা ১১টায় আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে জমায়েত হবেন বলেও ঘোষণা দেন।সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ২০২৪ সালের ৩ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড় সড়ক অবরোধ করেন। সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান  দিতে থাকেন। সেখানে তারা এক ঘণ্টা অবস্থান শেষে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে তাঁতীবাজার মোড় ত্যাগ করে ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন।একই দাবিতে এদিন দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আগারগাঁও-খামারবাড়ি সড়ক অবরোধ করেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।  এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার দেশ আমার মা, বৈষম্য মানি না’, ‘কোটা বৈষম্য দূর কর, নইলে বুকে গুলি কর’, ‘সারা বাংলা খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ইত্যাদি স্লোগানের  দেন। পরে তারা আগারগাঁও-খামারবাড়ি সড়ক অবরোধ করেন। সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল, মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দাবিতে ৩ জুলাই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বেলা সোয়া তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বিকেল পাঁচটার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন আন্দোলনকারীরা।বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল জব্বার মোড়ে রেললাইন অবরোধ করেন। ওই সময় ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেন আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন তারা। প্রায় ১ ঘণ্টা পর দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তারা রেললাইন অবরোধ তুলে নেন। পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এর আগে শিক্ষার্থীরা দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে সমবেত হন এবং সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।  এইদিন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কাফনের কাপড় পরে বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাদের কর্মসূচির কারণে প্রায় ২ঘন্টা মহাসড়কের দুই পাশে কয়েকশ’ যানবাহন আটকা পড়ে।৩ জুলাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করেন। বেলা পৌনে একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট এলাকায় অবরোধ শুরু হয়। চলে বেলা দেড়টা পর্যন্ত। চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ বহাল রাখার দাবিতে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে থেকে কোটাবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার গোল চত্বরে এসে সমবেশে মিলিত হয়। ৩ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পূর্বের পরিপত্র বহাল রেখে কমিশন গঠন করে কোটা সংস্কারের দাবিতে পদযাত্রা ও সমাবেশ করেন। বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে একটি মিছিল বের করা হয় এবং মিছিলটি ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন মডার্ন মোড় প্রদক্ষিণ করে ২ নম্বর গেটে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।-এজেড

Jatiyo Section Head
বড় স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখার স্থানে নজরদারি করবে ডিবি

বড় স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখার স্থানে নজরদারি করবে ডিবি

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাজধানীর পাড়া-মহল্লা বা বিভিন্ন জায়গায় বড় স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা দেখার স্থানগুলো বিশেষ নজরদারি করবে থানা-পুলিশ ও ডিবি।রাজধানীর আদাবরে ব্রাজিলের খেলা দেখা ও সমর্থকদের সংঘর্ষের জেরে বিএনপি নেতা মো. আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার (৩ জুলাই) এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বড় বড় স্ক্রিনে খেলা দেখা হয়। এটা আমরা নজরদারি করছি। ডিএমপির সব থানাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় এরকম স্ক্রিন আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারাও লোক রাখবে, আমরাও লোক রাখবো। যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে। আনন্দটা যেন আনন্দ পর্যায়ে থাকে। কোনো বিষাদে পরিণত না হয়। আর আমরা পরস্পরের প্রতি সহনশীল হব। আমরা যেটা বলি যে, অপোজিট পক্ষকে আমরা মেনে নেব। মেনে নেব, খেলায় হার-জিত থাকবে। আমরা আনন্দ করব, তবে অপরকেও তার সুযোগ দিতে হবে।গত সোমবার রাতে ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের খেলা দেখা ও জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে। জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়ের পর স্থানীয় কয়েকজন কিশোর ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে আনন্দ করছিলেন। এ সময় হাবিব নামে এক ব্যক্তি নিরব নামে এক যুবককে মারধর করেন। এই মারধরের জেরে গত বুধবার আদাবর রাতে আদাবর নবদয় হাউজিংয়ে বিএনপির ইউনিট সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা করা। এই ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি তেজগাঁও বিভাগ৷ নিরব, রিপন, মজনু ও মিজানুর রহমান৷ তাদের মধ্যে রিপন সরাসরি ছুরিকাঘাত করে। গ্রেপ্তারের পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা ছুরিটি উদ্ধার করেছে ডিবি। এই ঘটনায়, ইউনিট বিএনপি সভাপতি আহত গুরুতর আহত অবস্থায় ঢামেকে চিকিৎসাধীন আছেন।

Hero TOP
শেখ হাসিনার কাছে বড় ছিল তার পরিবার এবং দল: রিজভী

শেখ হাসিনার কাছে বড় ছিল তার পরিবার এবং দল: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনার কাছে হিন্দু-মুসলমান বা ধর্ম বড় ছিল না, তার কাছে বড় ছিল তার পরিবার এবং দল। এর বাইরে উনাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। যদি অস্তিত্ব থাকত, তাহলে তপন মিত্রের চাকরি কেন চলে গেল? উনার তো সচিব হওয়ার কথা ছিল, অথবা ডেপুটি সেক্রেটারি বা জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আপনাদের চাকরি নাই, কারণ উনারা জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে সম্পর্কিত। খালেদা জিয়া বিজন দাদার মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়েছিলেন— এটাই হচ্ছে তার অপরাধ। এই কারণে সে আর বাংলাদেশে থাকতে পারবে না, তপনদা বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। এটা শুধু আপনাদের একটা উদাহরণ হিসেবে বললাম, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে।শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর  ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ওই নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় আয়োজিত প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপিসহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু সহ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।রিজভী বলেন, অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে আজকে আমরা একটি মুক্ত পরিবেশে নির্বিধায় সবার কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। যার মনে যা আছে, সেই কথা বলার স্বাধীনতা অনেকদিন পর এসেছে। একটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা যে পরিবেশ পেয়েছি, সেই পরিবেশে এই কথা বলা নিশ্চিত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটাধিকার, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।সব ধর্মের মানুষের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে রিজভী বলেন, আমরা একই ভূখণ্ডের মানুষ ও জনগোষ্ঠী। আমাদের স্বাধীন সত্তা বিনির্মাণের জন্য একসাথে লড়াই করা ও আত্মত্যাগ করা মানুষ। এদের মধ্যে যেমন মুসলমান ছিল, তেমনি হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ছিল। সবাই মিলে এই জাতি ও গোষ্ঠী নির্মাণ করেছেন। অথচ বারবার একটি বিভাজনের রেখা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে—‘ওরা’ আর ‘আমরা’। এই ধরনের একটি প্রচেষ্টা বারবার করা হয়েছে, অথচ তারা জানত না যে, এই দেশের মাটিতে এটা কখনো সম্ভব নয়। হ্যাঁ, কৃত্রিমভাবে সংকট ও বিভাজন তৈরি করা যায়, কিন্তু আমাদের মনের উদারতা ও গভীরতা অনেক বেশি।হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, চাকমা, ত্রিপুরা— সবাই মিলে এই ভূখণ্ডের অস্তিত্ব বলে রিজভী বলেন, স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য একসঙ্গে লড়াই করেছে। এই জাতি কখনো কোনো জাতীয়, আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক চক্রান্তের কাছে মাথা নত করেনি। আমাদের ভেতরের এই নিবিড় সম্পর্ককে তারা আগেও বিনষ্ট করতে পারেনি, এখনও পারেনি, যদিও নানাভাবে চেষ্টা-প্রচেষ্টা চলে। ৫ই আগস্টে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি। সেদিন পিছনে বুলেটের মুখে হিন্দুও গুলি খেয়েছে, খ্রিস্টানও গুলি খেয়েছে, জুলাই আন্দোলনে সবাই মিলে দাঁড়িয়েছে। আশা করি, আমাদের এই পরস্পরের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমাদের এই স্বাধীন সত্তাকে রক্ষা করার জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রত্যেকে একসাথে কাজ করে যাব। একসঙ্গে লড়াই করব, একসঙ্গে বিনির্মাণ করব, একসঙ্গে সৃষ্টি করব আর প্রয়োজনে একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

ভিসা চালু, বাংলাদেশিদের আস্থা অর্জন করতে চান কলকাতার ব্যবসায়ীদের

ভিসা চালু, বাংলাদেশিদের আস্থা অর্জন করতে চান কলকাতার ব্যবসায়ীদের

বাংলাদেশি পর্যটকরা ফের পুরোদমে আসা শুরু করলে তাদের কাছে ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরা। গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশিরা না যাওয়ায় ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। তবে এই ক্ষতি রাতারাতি দাম বাড়িয়ে পুষিয়ে নিতে চান না সেখানকার ব্যবসায়ীরা। এর আগে বাংলাদেশিদের আস্থা অর্জন করতে চান তারা।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে  বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালুর ঘোষণা দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত দিনেশ ত্রিবেদী। এরপর থেকেই কলকাতার মারকুইস স্ট্রিট, সুদ্দার স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, রাফি আহমেদ কিদায়ী সড়ক এবং কলিং স্ট্রিটের ব্যবসায়ীরা নতুন করে আবারও আশা খুঁজে পান। এসব জায়গার হোটেল, ক্যাটারিং, খুচরা দোকান এবং মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশিদের কাছ থেকে পণ্যের অতিরিক্ত দাম নিয়ে তাদের দূরে সরিয়ে দিতে চান না। কারণ বাংলাদেশিদের যাওয়ার অন্যান্য জায়গা আছে।বাংলাদেশি পর্যটকদের কীভাবে সেবা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে সেখানকার ব্যবসায়ীরা একটি আলোচনায় বসেছিলেন। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত আসে অতিরিক্ত দামে তারা পণ্য বিক্রি করবেন না। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত দুই বছর আমরা অনেক লস করেছি। কিন্তু রাতারাতি এসব ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চিন্তা করার সময় এখন না। যদি পর্যটকরা মনে করেন তাদের সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের অর্থের মূল্য দেওয়া হচ্ছে তাহলে তারা ফিরে আসবেন এবং কলকাতার ব্যাপারে অন্যদের কাছে বলবেন।রেস্টুরেন্ট মালিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আফাক শামীম বলেছেন, আমরা কলকাতায় পর্যটকদের স্বাগত জানাই। আগের মতোই তারা এখনো তাদের অর্থের মূল্য পাবেন। আমরা দীর্ঘকালীন সম্পর্ক চাই যা সবার জন্য লাভজনক।

ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমাদের বাচ্চাদের ও নতুন প্রজন্মকে বিগত সরকারের সময়ে ভুল ইতিহাস গেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ইতিহাস বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস তৈরি করা যায় না, ইতিহাস সৃষ্টি করা হয়। সেই ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শুক্রবার (৩ জুলাই) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধি জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী পরে জিয়াউর রহমানের সমাধি-সংলগ্ন এতিম ও দুস্থ শিশুদের প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিদর্শন এবং ৪৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, প্রকৌশলী ও স্থপতি মাসুদুর রহমান খান প্রমুখ।সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব ও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়। ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার এবং পরে ‘জেড ফোর্স’-এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, কৃষি, শিল্প, রপ্তানি, প্রবাসী কর্মসংস্থান, তৈরি পোশাক শিল্প ও প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি ভোটাধিকার, সংসদীয় গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তার অবদান স্মরণীয়।বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। নির্বাচনের পর জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ধর্মীয় নেতাদের প্রণোদনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নমুখী বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।

Website Top Header
Jatiyo Section Head

অর্থ-বাণিজ্য

শিক্ষা

ফিচার

Website Top Header