ব্রেকিং
শিরোনাম
৩৫৭ টাকা কমিয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন মা, এক শিশুর মৃত্যু, চারজনের অবস্থায় সংকটাপন্ন যে প্ল্যাটফর্মে মিলবে ‘জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত’ সব সরকারি সেবা বাবার কাঁধে চড়ে হলে গিয়ে এইচএসসির পরীক্ষা দিলো আফিয়া জিন্নাত জুলাইকে যত আক্রান্ত হবে, জুলাই ততই বড় ইন্ডাস্ট্রি হয়ে উঠবে দীর্ঘ ২ দশক পর দেশের জাতীয় ভিসা নীতিমালায় আসছে বড় পরিবর্তন আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্যই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানো প্রয়োজন: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা সম্পূর্ণ সুস্থ না হলে ডেঙ্গু রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৩৫৭ টাকা কমিয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন মা, এক শিশুর মৃত্যু, চারজনের অবস্থায় সংকটাপন্ন যে প্ল্যাটফর্মে মিলবে ‘জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত’ সব সরকারি সেবা বাবার কাঁধে চড়ে হলে গিয়ে এইচএসসির পরীক্ষা দিলো আফিয়া জিন্নাত জুলাইকে যত আক্রান্ত হবে, জুলাই ততই বড় ইন্ডাস্ট্রি হয়ে উঠবে দীর্ঘ ২ দশক পর দেশের জাতীয় ভিসা নীতিমালায় আসছে বড় পরিবর্তন আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্যই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানো প্রয়োজন: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা সম্পূর্ণ সুস্থ না হলে ডেঙ্গু রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৩৫৭ টাকা কমিয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা

৩৫৭ টাকা কমিয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা

চলতি জুলাই মাসের জন্য দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এলপিজির দাম নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন এই দর সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।এর আগে সবশেষ গত ২ জুন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। সেই সঙ্গে ওইদিন যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

Jatiyo Section Head
শাপলা চত্বর মামলায় আসামি হচ্ছেন ইনুর, হত্যাকাণ্ডে মিলেছে সম্পৃক্ততা

শাপলা চত্বর মামলায় আসামি হচ্ছেন ইনুর, হত্যাকাণ্ডে মিলেছে সম্পৃক্ততা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর প্রাথমিক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি মাসেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এ মামলায় তাকে আসামি করা হবে।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে গত ৩০ জুন তিনটি অভিযোগে ১০ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তবে সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাকে ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।চিফ প্রসিকিউটর জানান, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড যখন সংগঠিত হয় তখন তথ্য মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন হাসানুল হক ইনু। আমরা এই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে জানতে পারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন দিগন্ত টেলিভিশন এবং ইসলামিক টেলিভিশনের লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করা হয়। শুধু তা-ই নয়, ওই রাতে ইসলামিক টেলিভিশনের অফিস ভাঙচুর করা হয় এবং ওই রাতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই দুটি টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন তথ্যমন্ত্রী হিসেবে ইনু এই শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড গোপন করার জন্য এবং আলামত নষ্ট করার জন্য দুটি টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করেন। এভাবে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ইনুর সহযোগিতা ছিল। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ও ফরমাল চার্জ দাখিল করা হবে।প্রসিকিউশন সূত্র মতে, শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সেই সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিহত ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে ৫ ও কুমিল্লায় একজন। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হবে। মামলাটি তদন্তের পর্যায়ে।প্রসিকিউশনের দাবি, শাপলা চত্বরে নারকীয় হত্যার ঘটনাকে সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন। তারা ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টা করেন। মৃত্যুর তথ্য লুকাতে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ারও প্রচেষ্টা ছিল তাদের। ২০১৩ সালের ৫ মে সেই হত্যাকাণ্ডের পরপরই ‘সমীকরণ’ নামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছিল একাত্তর টেলিভিশনে। ওই প্রতিবেদনে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে, শাপলা চত্বরে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এই মামলায় নয়জন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। তারা হলেন সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু এবং ফারজানা রুপা।শাপলা চত্বরের এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদ, ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার, সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ জোবায়ের, এবিনিউজ২৪ ডটকমের সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ এবং এনএসআইয়ের মো. মনজুর আহমেদ।-এজেড

Hero TOP
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকায় ছাত্র সমাবেশসহ মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান স্মরণ, শহীদ এবং আহতদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ, সকল অংশীজনের অবদানের স্বীকৃতি ও ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার দীর্ঘ ধারাবাহিক লড়াইয়ের বীরোচিত বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপনে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সংগঠনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাসির।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা, ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে ছাত্র সমাবেশসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা ও মহানগর শাখায় স্মরণসভা, ১৮ জুলাই ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে কর্মসূচি।২০ জুলাই অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান শীর্ষক স্মরণসভা, ২১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জুলাই অগাস্টের ঘটনাবলীর ওপর লাইভ পারফরম্যান্স ‘প্রতীকী জুলাই’, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিগত ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত ছবিগুলো নিয়ে প্রদর্শনী, কবিতা উৎসব ও পথনাটক হবে।২২ জুলাই ‘জুলাই-অগাস্টের শহীদদের’ আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগর, উপজেলা, কলেজ ও পৌর শাখায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।২৪-২৫ জুলাই সব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতারা সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগর, উপজেলা, কলেজ ও পৌর ইউনিট নেতৃবৃন্দ শহীদদের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।৩ অগাস্ট রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হবে ছাত্রসমাবেশ। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।-এজেড

আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি

আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি চলছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, রাজধানী তেহরানে প্রায় ২ কোটি এবং দেশজুড়ে মোট সাড়ে ৩ কোটি মানুষ এ আয়োজনে অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ৯০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি ও প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। চার মাস আগে নিহত হওয়া খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। বিপুল জনসমাগমের আশঙ্কায় এরই মধ্যে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।কর্তৃপক্ষের এ হিসাব বাস্তবে রূপ নিলে ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশ নেওয়া আনুমানিক ১ কোটি ২ লাখ মানুষের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচিত হয় ১৯৮৯ সালের ৬ জুন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির শেষকৃত্য। সেদিন লাখো মানুষের ঢলে জানাজার শোভাযাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শোকাহত জনতা মরদেহ বহনকারী যাত্রাপথ আটকে দিলে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।প্রচণ্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে বহু মানুষ আহত হন। আহতদের মধ্যে খোমেনির ছেলে আহমদ খোমেনিও ছিলেন। ওই ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত এবং প্রায় ১১ হাজার মানুষ আহত হন। সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএর তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী আকাশে গুলিও ছোড়ে। তবে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেদিন দাফন কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরদিন সকাল ৭টায় পুনরায় জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে প্রায় ২০ লাখ মানুষ সারারাত মরদেহের পাশে অবস্থান করেছিলেন বলে জানানো হয়।পরবর্তীতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস খোমেনির জানাজাকে জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জানাজা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ধারণা করা হয়, প্রায় ১ কোটি ২ লাখ মানুষ এতে অংশ নিয়েছিলেন, যা সে সময় ইরানের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-ষষ্ঠাংশের সমান।আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। টানা ৩৬ বছর ৬ মাস তিনি দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে ছিলেন। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় তিনি নিহত হন। বর্তমানে তার জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।

একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন মা, এক শিশুর মৃত্যু, চারজনের অবস্থায় সংকটাপন্ন

একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন মা, এক শিশুর মৃত্যু, চারজনের অবস্থায় সংকটাপন্ন

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিলেন মা। তবে ওজন কম হওয়ায় জন্মের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি মেয়ে শিশু মারা গেছে। বাকি চার নবজাতক সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন ছেলে। আজ (২ জুলাই) বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে অস্ত্রোপচার ছাড়াই শিশুদের জন্ম হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের ১২ সপ্তাহ আগে জন্ম নেওয়ায় শিশুদের শারীরিক জটিলতা দেখা দিয়েছে।নবজাতকদের মা চাঁদনী বেগম। তার স্বামী মাহামুদুল হাসান ডলার ফরিদপুর জেলা সদরের ভবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল বেপারীর ছেলে। মাহামুদুল হাসানের সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। দেড় বছর আগে নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের চাঁদনী বেগমের সঙ্গে মাহামুদুল হাসান ডলারের বিয়ে হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডে চারটি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রত্যেককে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। ইনকিউবেটর সংকট থাকায় স্বজনেরা কোলে রেখেই অক্সিজেন দিচ্ছেন।হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ নার্স মিনতি সরকার বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ওই নারীকে হাসপাতালে আনা হয়। এক ঘণ্টা পরে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে প্রথম সন্তান জন্ম নেয়। এর পর ৩০ মিনিটের মধ্যে বাকি চারটি শিশুর জন্ম হয়। স্বাভাবিকভাবে মাতৃগর্ভে ৪০ সপ্তাহ থাকার পর সন্তান জন্ম হয়। তবে এই বাচ্চাগুলো হয়েছে মাত্র ২৮ সপ্তাহে। যদিও অস্ত্রোপচার ছাড়াই জন্ম গ্রহণ করেছে, কিন্তু তাদের ওজন খুবই কম। যেখানে একটি স্বাভাবিক শিশুর ওজন হয় ২.৫ কেজি, সেখানে নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করায় বাচ্চাগুলোর ওজন ৫’শ থেকে ৭’শ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। আবার কারও চোখ ফোটেনি, সবকিছু মিলে বাচ্চাগুলো অস্বাভাবিক বলা যায়। এ ছাড়া মায়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে, তার রক্তের প্রয়োজন।নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসক পৃথ্বীরাজ পাল চৌধুরী বলেন, এখানে ৫টা বাচ্চার মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয় এবং বাকি বাচ্চাগুলো সংকটাপন্ন রয়েছে। তাদের এনআইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের এখানে এনআইসিইউ নেই। আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা জানিয়েছি। তবে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারটি এ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে। এ ছাড়া আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।-আজকের পত্রিকা-এজেড

Website Top Header
Jatiyo Section Head

অর্থ-বাণিজ্য

শিক্ষা

ফিচার

Website Top Header