অনন্যা চরিত্রের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত জীবনের মিল রয়েছে: মিম
ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে নতুন অরিজিনাল ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। সম্প্রতি রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর অডিটোরিয়ামে সিনেমাটির একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ওয়েব ফিল্মে নিজের চরিত্র, অনুভূতি ও কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা সাহা মিম।
‘লাইফলাইন’-এর গল্প ও নিজের অনন্যা চরিত্র প্রসঙ্গে মিম বলেন, এই গল্পটা আমার পার্সোনাল লাইফের সাথে কানেক্টেড। কারণ আমার বাবা-মায়েরও বয়স হচ্ছে, তারাও মাঝেমধ্যে অসুস্থ হচ্ছেন। সবার লাইফেই তো এটা হয়। পর্দায় অনন্যা চরিত্রটি করতে গিয়েও আমি ঠিক একই অনুভূতি ফিল করেছি। তাই আলাদা করে আমাকে আর চরিত্রে ঢুকতে হয়নি।
সিনেমাটির দর্শক প্রতিক্রিয়া নিয়ে উচ্ছ্বসিত মিম আরো বলেন, এই কাজটি রিলিজের পর যারা দেখছেন, সবাই ভীষণ প্রশংসা করছেন। আমি খুব সিওর যে ‘লাইফলাইন’ যারাই দেখবে, তাদের সবার কাছেই এটি ভালো লাগবে।
বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও আবেগের এক দারুণ গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘লাইফলাইন’। এই সিনেমায় বাবা ও মেয়ের চরিত্রে পর্দায় হাজির হয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ এবং বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমাটিতে আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রেজওয়ান পারভেজ, গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা নূর আয়াত এবং ফাতেমাতুজ জোহরা ইভার মতো একঝাঁক জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী।
ওয়েব ফিল্মটির নির্মাতা কাজী আসাদ। এর আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির জন্য দর্শকপ্রিয় অরিজিনাল সিরিজ ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’ নির্মাণ করেছিলেন তিনি। এবার তিনি নিয়ে এলেন অরিজিনাল ফিল্ম ’লাইফলাইন’। সিনেমাটির মূল গল্প লিখেছেন মাহমুদুল হাসান টিপু ও কাজী আসাদ আর চিত্রনাট্য ও সংলাপ যৌথভাবে তৈরি করেছেন আসাদুজ্জামান আবীর ও কাজী আসাদ।
সিনেমার মূল ভাবনা প্রসঙ্গে নির্মাতা কাজী আসাদ বলেন, ভালোবাসার টানে মানুষ কত দূর যায়? আর কত কিছু হারানোর ঝুঁকি নিতে পারে? শহুরে মেয়ে অনন্যার এই দুর্গম যাত্রা কেন এবং এর শেষ কোথায়? এসব প্রশ্নের উত্তরের মধ্য দিয়েই গভীর কিছু মানবিক অনুভূতির কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে এই সিনেমায়।
-এসএফ