শিরোনাম
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি

নিত্যপণ্যের বাজার নজরদারি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার / লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: 03 Jul 2026, 09:00 PM
নিত্যপণ্যের বাজার নজরদারি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী

শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৩০টি পণ্যের বাজার পরিস্থিতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদন, আবহাওয়ার সম্ভাব্য প্রভাব, আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানির প্রয়োজনীয়তা ও সরবরাহব্যবস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে আগাম সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। প্রথম পর্যায়ে অতি সংবেদনশীল ৩০টি পণ্যকে এই প্রযুক্তির আওতায় এনে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে  উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।  সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামান। এর আগে মন্ত্রী তার স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণ করেন। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের হুইলচেয়ার, অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের ছাগলের খাদ্য বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং সদর কৃষি অফিস আয়োজিত পার্টনার কংগ্রেস কর্মসূচিতে অংশ নেন।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বাজারের সাম্প্রতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের একাধিক সংস্থা সক্রিয় রয়েছে। শুধু বাজার দর নয় বরং পণ্যের উৎপাদন কেমন হচ্ছে, আবহাওয়ার কারণে ফলনে কী প্রভাব পড়তে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কী পরিস্থিতি চলছে তার সামগ্রিক পূর্বাভাস পেতে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত এআই মডেল তৈরি করা হবে। এআইভিত্তিক ব্যবস্থা চালু হলে বাজার তদারকি আরও প্রাতিষ্ঠানিক, তথ্যনির্ভর ও কার্যকর হবে। এতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে।

তিনি জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলা পরিষদে বহুতল ভবন নির্মাণ করে এক ছাতার নিচে বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া চা-বাগান এলাকায় বর্তমানে থাকা পাঠদান কেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হবে। সেখানে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হবে।

সিলেটকে সবজি রপ্তানির অন্যতম প্রধান হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে যে পরিমাণ সবজি রপ্তানিকারক রয়েছেন তার প্রায় অর্ধেকই সিলেটের। তবে প্যাকেজিং এবং প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশন সমস্যার কারণে রপ্তানির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এ সংকট সমাধানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, সবজি সংরক্ষণের সুবিধার জন্য সরকার সারাদেশে প্রায় ২০০০ কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার একটি বড় অংশ সিলেটে স্থাপন করা হবে। দেশের শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে, যাতে কারখানাগুলো পুরোদমে সচল থাকতে পারে।

ভিডিও প্রতিবেদন

এবারের ভোট খুবই সুশৃঙ্খল এবং বন্ধুত্বপরায়ণ | Global TV News