জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: খেলাফত মজলিসের ৩৬ দিনের কর্মসূচি পালন শুরু
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী ঘোষিত ৩৬ দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে খেলাফত মজলিস।
আজ (১ জুলাই) বুধবার বাদ আসর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার কর্মসূচি উদ্বোধন করেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো. আব্দুল জলিল, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, আলহাজ্ব আমির আলী হাওলাদার, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মহানগরী দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে, আজ বাদ ফজর ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার উদ্যোগে উত্তরায় শহীদ জাবের ইব্রাহীম, বিকাল ৪টায় শহীদ মীর মুগ্ধের কবর জেয়ারত ও শহীদদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মহানগরী উত্তর সভাপতি মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের স্বাক্ষরিত এক সার্কুলারের মাধ্যমে শাখা সমূহে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া, আহতদের খোঁজখবর ও সম্ভাব্য সহযোগীতা, ফ্যাসিবাদী সরকার ও তার দোসরদের বিচার ত্বরান্বিত এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মতবিনিময়, গণ-সংযোগ, গণ-জমায়েত ও মিছিল, দেয়ালিকা প্রকাশ ও আন্দোলনের ভিডিও প্রদর্শনী, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও রক্তদান কর্মসূচি প্রভৃতি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে খেলাফত মজলিসের আহবান-
গ্লোবাল টেলিভিশনের পঞ্চম বছরে পদার্পণ উদযাপন | Global TV News
- গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।
- পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার ও দোসরদের গণহত্যা, গুম, খুন ও দুর্নীতির দ্রুত বিচার করতে হবে।
- অবিলম্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
- জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের উন্নত চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
- জুলাই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
- ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের নামে বাংলাদেশ সীমান্তে বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে হবে।
- ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দিতে হবে।
-এজেড