ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ | ৯ জ্বিলকদ ১৪৪৭

শিরোনাম

বাংলাদেশে সোস্যাল ডেমোক্রেসির বীজ বপন করেন শেরে বাংলা: জেডিপি

বাংলাদেশে সোস্যাল ডেমোক্রেসির বীজ বপন করেন শেরে বাংলা: জেডিপি

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলাদেশে সোস্যাল ডেমোক্রেসির বীজ বপন করে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি-জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ। তিনি বলেছেন, শেরে বাংলার রাজনীতি ছিল সামাজিক ন্যায়, অর্থনৈতিক ভারসাম্য এবং গণমানুষের ক্ষমতায়নের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা। তার নেতৃত্বে কৃষকদের ঋণমুক্তির উদ্যোগ, জমিদারি শোষণ কমাতে নীতিগত পদক্ষেপ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রশাসনিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা—এসবই আধুনিক সোস্যাল ডেমোক্রেসির মৌলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) তিন নেতার মাজারে শেরে বাংলার ৬৪তম ওফাত দিবস উপলক্ষে জেডিপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বক্তব্য রাখেন জেডিপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক মুত্তাকী বিন মুনির,প্রধান সংগঠক মো. আহছান উল্লা, যুগ্ম সদস্য সচিব মাহতাব হোসেন সাব্বির, কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ উল্লাহ জাবেরসহ জেডিপির বিভিন্ন সংগঠকবৃন্দ। সভা শেষে শেরে বাংলার মাজার জিয়ারত করেন জেডিপির নেতৃবৃন্দ।

জেডিপির আহ্বায়ক বলেন, এ কে ফজলুল হক অভিজাতনির্ভর রাজনীতির বাইরে গিয়ে গ্রামীণ ও নিম্নবর্গের মানুষকে রাজনীতির মূলধারায় নিয়ে আসেন। এর ফলে বাংলার রাজনীতিতে গণভিত্তিক অংশগ্রহণের নতুন ধারা সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীকালে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শেরে বাংলার অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সুস্পষ্ট, যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা শ্রেণি নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলাদেশে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে তার রাজনৈতিক দর্শন নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

—এজেড