ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ | ১২ জ্বিলকদ ১৪৪৭

শিরোনাম

বিয়েতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে ‘বিবাহ ঋণ’, যেসব শর্তে যারা পাবেন

বিয়েতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে ‘বিবাহ ঋণ’, যেসব শর্তে যারা পাবেন

দেশে বিয়ের আনুষঙ্গিক ব্যয় সামাল দিতে ‘বিবাহ ঋণ’ বা ব্যক্তিগত ঋণের একটি বিশেষ অংশের ব্যবহার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ভোক্তা ঋণের আওতায় এই সুবিধা দিলেও বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সব ব্যাংক এখনো এ খাতে পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে কিছু ব্যাংক সরাসরি ‘ম্যারেজ লোন’ নামে এবং বাকিরা সাধারণ ‘পার্সোনাল লোন’-এর মাধ্যমে এই সুবিধা প্রদান করছে। সাধারণত ২১ থেকে ৬৫ বছর বয়সী নিয়মিত আয়ের অধিকারী বাংলাদেশি নাগরিকরা এই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।

বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণের সীমা ও শর্তের ক্ষেত্রে ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক ব্যক্তিগত ঋণের আওতায় সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকে, যা পরিশোধের জন্য ১ থেকে ৫ বছর সময় পাওয়া যায়। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) এবং ইউসিবিও সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিয়ের ঋণ দেয়। অন্যদিকে উত্তরা ব্যাংক তুলনামূলক ছোট পরিসরে ২৫ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রদান করে। বিজিবি সদস্যদের ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে এই ঋণ নেওয়ার বিধান থাকলেও সন্তানের বিয়ের ক্ষেত্রে তা ৫৬ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

তবে নিয়মিত আয় না থাকলে বা পেশা অনিশ্চিত হলে এই ঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া ঋণ খেলাপির ইতিহাস থাকলেও আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবেদনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি, ছবি, বেতন স্লিপ এবং গত ৬ থেকে ১২ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হয়। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স দাখিল করা বাধ্যতামূলক। বিয়ের পাশাপাশি ঘর সাজানো বা আসবাবপত্র কেনার জন্যও দেশের প্রায় সব ব্যাংকই ঋণের ব্যবস্থা রাখে, যা মধ্যবিত্ত পরিবারের বিয়ের খরচ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

এসএফ