পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে মন্ত্রী পরিষদের সভা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা যেন সুন্দরভাবে থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন। রমজান মাসে যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে, পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন আমরা কিভাবে অব্যাহত রাখবো, সেটা যে কোন অবস্থান থেকে যেকোনো ডিপার্টমেন্টে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সদর হাসপাতালে মানুষের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা নিয়ে বিশেষ নজর রাখছি। সারাদেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। আর লক্ষ্মীপুরে তো নেইই।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সারাদেশে সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ৩ দিনের সফরে এ্যানি চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এসেছেন। সকালে সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। সার্কিট হাউসে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম-আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান হাছানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু প্রমুখ।
পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, লক্ষ্মীপুরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য ইতোমধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে একটি নতুন প্রকল্প- ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খান পুনঃখনন। আমরা যদি এ প্রকল্পটি হাতে নিতে পারি লক্ষ্মীপুরে যে জলাবদ্ধতা ব্যাধি দীর্ঘদিনের মানুষের যেই কষ্টের জায়গা, সেখান থেকে আমরা মুক্ত হতে সক্ষম হব। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প আমরা গ্রহণ করার ইচ্ছে রয়েছে, আমরা সেই দিকেই নজর দিচ্ছি। মেঘনা নদী ও রহমতখালী খাল পাড়ে ভাঙন রয়েছে, পিজিভিলিটি স্ট্যাডির মাধ্যমে তা সমাধান করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী খাল খনন করা হবে। ১৮০ দিনের কর্মসূচি মধ্যে সর্বোচ্চ সেটা করা হবে। খুব শিগগিরই খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে। সেটার মধ্যে লক্ষ্মীপুরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ও অবহেলিত এলাকা লক্ষ্মীপুর। আমাদের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা সুন্দর একটি পরিবেশ পেয়েছি। যারা বিগত আন্দোলন সংগ্রাগের গুম-খুন ও শহীদ হয়েছেন আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সকলের প্ররিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। লক্ষ্মীপুরকে নতুনভাবে সাজাতে হব। দীর্ঘদিনের মানুষের প্রত্যাশা একটি সুন্দর লক্ষ্মীপুর গড়ে তোলা। নির্বাচনে গণসংযোগে যখন গিয়েছি, সবার আবদার ছিল। রাস্তা, এলাকায় জলাবদ্ধতা, বঞ্চিত অবস্থা, অবহেলার শিকার হওয়া, আমরা এখন যেন নতুন করে লক্ষ্মীপুর গড়ে তুলতে পারি সেদিকে নজর থাকবে।