ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ | ৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম

পানিসম্পদমন্ত্রী

দখলদারদের হাত থেকে খাল পুনরুদ্ধার করে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে

দখলদারদের হাত থেকে খাল পুনরুদ্ধার করে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে

পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশব্যাপী খালের দখল-দূষণ প্রতিরোধে উদ্যোগ নেওয়া হবে। অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাল পুনরুদ্ধার করে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে। খাল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি খালের পাড় সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপন ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা খাল ও আঁটি খাল পুনঃখনন এবং খালের উভয় পাড়ের সুরক্ষা কাজ পরিদর্শনকালে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।  শুভাঢ্যা খালের খেজুরবাগ, জোড়াব্রীজ, চুনকুটিয়া এবং আঁটি খালের জয়নগর এলাকা পরিদর্শন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্ল্যাহ আমান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওমর ফারুক প্রমুখ।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, খাল খনন, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিতে হবে। এই মুহূর্তে চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে খাল খনন-পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশব্যাপী খাল খননের প্রকল্প নেওয়া হবে। কেরাণীগঞ্জের শুভাঢ্যা খাল ও আঁটি খালের কাজ শিগগিরই সমাপ্ত হবে। এটিকে টেকসই ও নদীর সাথে সংযোগ এবং পানির প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও একটি প্রকল্প নেওয়া হবে।  

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল-পুকুর-জলাশয় খনন-পুনঃখনন কর্মসূচি দিয়েছেন। খাল খনন টেকসই করা, মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক ও আধুনিক কর্মকৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী ।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং ৫ কোটি বৃক্ষরোপনে কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। খাল খনন-পুনঃখনন করা হলে চাষাবাদে সেচের ব্যবস্থা হবে, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আসবে এবং জলাবদ্ধতা দূর হবে।