ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম

এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার হল পরিদর্শনে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) যেতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষা আসছে। সামনে এইচএসসি পরীক্ষা। এসব পরীক্ষায় হল পরিদর্শনের সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সঙ্গী-সাথী নিয়ে যেতে পারবেন না। এ সুযোগ নেই। পরীক্ষার্থীদের বিরক্ত করা যাবে না। সেটা কেউ করতে পারবেন না। কেন্দ্রের সচিবদের এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সামনে রেখে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির। এতে বিভিন্ন বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল করার সমালোচনার জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, লটারি তুলে দেওয়ায় আমাকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে, হচ্ছে। আমি নাকি ধনী-গরিবের বৈষম্য করেছি। লটারি পদ্ধতি মেধাবী, কে অ-মেধাবী তা ঠিক করে না। আবার ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমায় না। লটারিতে তো ভর্তি হয়েছে। কিন্তু লটারিতে ভর্তির সময়ে কতজন ঠিক লটারিতেই চান্স পেয়ে ভর্তি হয়েছে, আর কতজন পক্ষপাতিত্ব বা তদবির হয়েছে; সব কিন্তু আমি জানি। আমার কাছে সব খবর আছে। আমি স্পষ্ট করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে না। সব জায়গায় ভালো স্কুল আছে। কেন আপনার বাড়ির পাশের স্কুল রেখে সন্তানরা অন্য জায়গায় যাবে? শিক্ষকরা কী এর জন্য দায়ী না।

তিনি আরও বলেন, স্কুল, কলেজ, মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি করা হতে পারে। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটা কমিশন করা যেতে পারে। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা যায়, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে। বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি প্রক্রিয়াধীন। তবে করতে পারলে খুবই ভালো হবে। আমরা চেষ্টা করছি। শিক্ষকরা কী শেখাবেন, এটাই আমাদের আগামীর প্রায়োরিটি (অগ্রাধিকার)। আমাদের শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়ান না। তখন অভিভাবকরা সন্তানদের জন্য বাসায় একজন শিক্ষক বা দুইজন টিউশন শিক্ষক দেন। তা না হলে তখন কোচিং সেন্টারে পাঠান। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

—এজেড