শিরোনাম
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি

প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের

রিপোর্টার / লেখক: গ্লোবাল টিভি বিডি | প্রকাশিত: 02 Jul 2026, 07:52 PM
প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। তিনি বলেছেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করছে। এখন তাদের প্রাপ্য সব ধরনের সেবা একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় এনে সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অটিজম ও স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যা বিষয়ক সেলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অন্তত ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্পে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ একসঙ্গে নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের দক্ষ করে তোলা হবে। পাশাপাশি তারা যে পণ্য উৎপাদন করবেন, সেগুলোর বাজারজাতকরণের ব্যবস্থাও করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইনক্লুসিভ শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে একটি ‘মাস্টার সার্ভিস সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকবে, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগ্রহীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লিগ্যাল এইড কার্যক্রম চালুর বিষয়েও সরকার কাজ করছে, যাতে তারা আইনি জটিলতায় প্রয়োজনীয় সহায়তা সহজে পান। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ করা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মানসিক ও সামাজিক চাপ কমিয়ে আনা।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় অভিভাবকদের জন্যও আয়ের সুযোগ রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা বলেন, কোনো অভিভাবক সন্তানকে স্কুলে নিয়ে এসে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করলে সেই সময়ে তিনি আয়মূলক কোনো কাজে যুক্ত হতে পারবেন। এ সময় শিশুরা চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে থাকবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দেশের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে জাতীয় সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে একজন করে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, এতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও সহজ হবে এবং সরকারের পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

ভিডিও প্রতিবেদন

Live। সংবাদ সারাদেশ। Sangbad Saradesh। News Bulletin। Today News । Global TV News

-এজেড