শিরোনাম
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে

রিপোর্টার / লেখক: গ্লোবাল টিভি বিডি | প্রকাশিত: 02 Jul 2026, 08:06 PM
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে
ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন | সংগৃহীত

তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে বলে জানিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে। চীন তাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এ প্রকল্প এবং বাংলাদেশের নদী ব্যস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা করতে চীনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রতিশ্রুতি এসেছে। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর বারিধারায় ঢাকার চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর পুরোপুরি সফল হয়েছে। এটি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক, যা এক নতুন কৌশলগত উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থার এক নতুন স্তর তৈরি হয়েছে। এই সফরে দুই দেশের কৌশলগত পর্যায়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে।

তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা একটি বাংলাদেশি প্রকল্প। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (টিআরসিএমআরপি) বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। টেকসই তিস্তা মহাপরিকল্পনা করতে এর বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চীন এর ওপর জোর দিচ্ছে। এ বিষয়ে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। অতীতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে চীনা কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা হলেও এবার দুই দেশের সরকারের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়নে দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা একসঙ্গে আলোচনায় বসেন। সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে যৌথ স্বার্থ নিয়ে সৌহাদ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। দুই নেতার মধ্যে (তারেক রহমান ও শি জিনপিং) টু প্লাস টু আলোচনা ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বস্ততা জোরদার হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের স্বার্থে নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাকে চীন সমর্থন করে। 

ভিডিও প্রতিবেদন

অন্যরকম বর্ষপূর্তি: বেদে শিশুদের মুখে হাসি ফোটালো গ্লোবাল টিভি | Global TV News