শিরোনাম
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার / লেখক: গ্লোবাল টিভি বিডি | প্রকাশিত: 04 Jul 2026, 11:29 AM
জুলাই জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে এবং তাঁদের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্মান জানাতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই জুলাই শহীদ স্মরণসভা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন গণপ্র২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে এবং তাঁদের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্মান জানাতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই জুলাই শহীদ স্মরণসভা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতি ও অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতেই এই বিশেষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূলমন্ত্র (মোটো) নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের ব্যানারে লেখা রয়েছে, গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই স্মরণ সভায় অংশ নিয়েছেন জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ ও চিকিৎসাধীন আহতদের পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মৃতিচারণা আর গভীর শ্রদ্ধার এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে আরও উপস্থিত আছেন মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যগণ, দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট টেনে স্মৃতিচারণা করা হয় যে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ ছাত্রদের হাত ধরে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা শেষমেশ সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচারী সরকার উৎখাতের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনে রূপ নেয়। দীর্ঘ ৩৬ দিনের সেই অভূতপূর্ব ও বীরত্বপূর্ণ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে পুরো দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল।

আন্দোলন দমাতে তৎকালীন নিষ্ঠুর সরকারের পক্ষ থেকে নির্বিচারে গুলি, টিয়ারশেল ও চরম বলপ্রয়োগ করা হয়। এমনকি গণআন্দোলন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হলেও, তা স্বৈরাচারের জন্য হিতে বিপরীত হয়। গত ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের সরাসরি গুলিতে বুক পেতে দিয়ে নিহত হওয়ার পর এই আন্দোলন এক চূড়ান্ত গণবিস্ফোরণে রূপ নেয়। আবু সাঈদকে এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ‘প্রথম শহীদ’ হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত রক্তপাত শুরু হওয়ার মাত্র ২০ দিনের মাথায় পতন ঘটে দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগ সরকারের।

উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকারের পক্ষ থেকে গেজেট আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে নথিভুক্ত শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে, অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের (UN) তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যবর্তী সময়ে দেশজুড়ে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়েছে।জাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতি ও অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতেই এই বিশেষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূলমন্ত্র (মোটো) নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের ব্যানারে লেখা রয়েছে, গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই স্মরণ সভায় অংশ নিয়েছেন জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ ও চিকিৎসাধীন আহতদের পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মৃতিচারণা আর গভীর শ্রদ্ধার এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে আরও উপস্থিত আছেন মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যগণ, দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট টেনে স্মৃতিচারণা করা হয় যে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ ছাত্রদের হাত ধরে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা শেষমেশ সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচারী সরকার উৎখাতের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনে রূপ নেয়। দীর্ঘ ৩৬ দিনের সেই অভূতপূর্ব ও বীরত্বপূর্ণ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে পুরো দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল।

আন্দোলন দমাতে তৎকালীন নিষ্ঠুর সরকারের পক্ষ থেকে নির্বিচারে গুলি, টিয়ারশেল ও চরম বলপ্রয়োগ করা হয়। এমনকি গণআন্দোলন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হলেও, তা স্বৈরাচারের জন্য হিতে বিপরীত হয়। গত ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের সরাসরি গুলিতে বুক পেতে দিয়ে নিহত হওয়ার পর এই আন্দোলন এক চূড়ান্ত গণবিস্ফোরণে রূপ নেয়। আবু সাঈদকে এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ‘প্রথম শহীদ’ হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত রক্তপাত শুরু হওয়ার মাত্র ২০ দিনের মাথায় পতন ঘটে দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগ সরকারের।

উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকারের পক্ষ থেকে গেজেট আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে নথিভুক্ত শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে, অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের (UN) তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যবর্তী সময়ে দেশজুড়ে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়েছে।

ভিডিও প্রতিবেদন

খামেনির জানাজাকে ঘিরে তেহরানে জনসমুদ্র, যোগ দিল বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল | Global TV News

এসএফ