ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, আমরা এটাকে অস্বীকার করি না যে, আমরা একদিকে পরিষ্কার করি তারা আবার এখানে বসে। আমরা এটা শুরু করলাম, আমরা এটা রেগুলার মনিটর করার চেষ্টা করবো। রাজধানীর ফুটপাত উদ্ধার অভিযান নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে ধোলাইখাল এলাকায় ফুটপাত উদ্ধার অভিযান পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত আছেন লালবাগ ডিসি ট্রাফিক মফিজুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। এর আগে বেলা ১১টায় ফুটপাত উদ্ধারে মহানগরীর ধোলাইখাল এলাকায় সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান বা দোকানের অংশ অপসারণে অভিযান শুরু করেছে ডিএমপি। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএমপির স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান।
ডিআইজি ট্রাফিক বলেন, একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যে, আমাদের জনবল কম আছে এবং এটা আমরা প্রতিনিয়ত সবসময় পারবো না। এটা যদি মানুষ সচেতন না হয়, যদি লোকাল কমিউনিটি হেল্প না করে তাহলে শুধু একাই এই কাজটা আমাদের পক্ষে করা সম্ভব না। তবে আমরা এটা ধরে রাখার চেষ্টা করবো। এখানে সবাই ব্যবসায়ী। ব্যবসা কিন্তু একটা দেশের অর্থনীতির জন্য একেবারে অপরিহার্য। সুতরাং তারা তো ব্যবসা করবেই। তবে আপনি ব্যবসা বাণিজ্য যা-ই করেন না কেন, মানুষের দুর্ভোগ বা হয়রানি সৃষ্টি আপনারা করতে পারেন না। আমাদের এই অভিযান চলতেই থাকবে। আমরা আজ সতর্ক না, অ্যাকশনেই নেমেছি। আপনারা দেখছেন যে আমরা অনেকগুলো মাল বাজেয়াপ্ত করেছি।
আনিছুর রহমান বলেন, আমাদের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটও আছেন। আমরা এই মালগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি। ম্যাজিস্ট্রেটরা আইনগতভাবে যেটা হয় তারা ডিসপোজাল করবেন। তারা থানায় যাবেন। এই মালগুলোর ব্যাপারে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু আজকে না, আমাদের এই অভিযান আগামী ২, ৩ ও ৫ তারিখ চলবে। ঢাকা শহরের মূল যে পয়েন্টগুলো আছে, যেগুলো সত্যিকার অর্থে লোকজনকে বেশি ডিস্টার্ব করে, সেই প্রধান প্রধান জায়গাগুলোতে আমরা কাজ করব এবং এটা আমাদের একটা চলমান অভিযান।