শিরোনাম
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি

বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে প্রায় পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী

রিপোর্টার / লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: 30 Jun 2026, 03:37 PM
বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে প্রায় পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী


আগামী (২ জুলাই) বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। এবারের পরীক্ষায় দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে অংশ নেবে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরিবহন, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ ও সার্বিক তদারকিতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

ভিডিও প্রতিবেদন

আওয়ামী লীগ কোনো নামেই কার্যক্রম চালাতে পারবে না; তথ্য উপদেষ্টা | Global TV News

এবারের পরীক্ষায় দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে অংশ নেবে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী


সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৩ লাখ ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী ৩১০টি কেন্দ্রে, রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী ২০৮টি কেন্দ্রে, কুমিল্লা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী ১৯৩টি কেন্দ্রে, যশোর বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন শিক্ষার্থী ২৪০টি কেন্দ্রে এবং চট্টগ্রাম বোর্ডে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন শিক্ষার্থী ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে। এছাড়া বরিশাল বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন শিক্ষার্থী ১৪২টি কেন্দ্রে, সিলেট বোর্ডে ৭১ হাজার ৬১১ জন শিক্ষার্থী ৯৬টি কেন্দ্রে, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন শিক্ষার্থী ২১২টি কেন্দ্রে এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন শিক্ষার্থী ১১১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। সব মিলিয়ে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে অংশ নেবে। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে ৯২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে অংশ নেবে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষার্থী। সব মিলিয়ে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মোট কেন্দ্র ২ হাজার ৬৯৭টি।পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ, পরিবহন, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ তদারকি এবং সিসিটিভিভিত্তিক পর্যবেক্ষণ—সব পর্যায়ে সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রসচিব, পরিদর্শক, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে পরীক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার লিখিত উত্তরপত্র জমা ও সংরক্ষণে নতুন করে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ওই দিনের উত্তরপত্র একই দিন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি নিজে অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক পুলিশ প্রহরায় নিরাপদ হেফাজতে হাতে হাতে উত্তরপত্র জমা দেবেন। কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে একই দিন ডাকযোগে বা রেলওয়ে পার্সেলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। তাও সম্ভব না হলে উত্তরপত্র সিলগালা করে ট্রেজারি বা থানার মালখানায় সংরক্ষণ করতে হবে। পরে নির্ধারিত সময়ে ট্রেজারি বা থানার প্রত্যয়নপত্রসহ পুলিশ পাহারায় বোর্ডে জমা দিতে হবে।নির্ধারিত পদ্ধতির বাইরে কোনো অবস্থাতেই লিখিত উত্তরপত্র অন্য কোনো উপায়ে পাঠানো যাবে না।

পরীক্ষা উপলক্ষ্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এখন আর নকল আগের রূপে নেই, তবে এর ধরন পরিবর্তন হয়েছে। সে কারণে পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-এজেড