ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ৯ মাঘ ১৪৩২ | ২ শা‘বান ১৪৪৭

শিরোনাম

ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে চীনের জন্মহার, কনডমের ওপর কর আরোপ

ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে চীনের জন্মহার, কনডমের ওপর কর আরোপ

চীনে জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত সরকারি তথ্যে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টানা চতুর্থ বছরের মতো দেশটির জনসংখ্যা কমেছে ও কর্তৃপক্ষের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও এই পতন ঠেকানো যায়নি। চীনা কর্মকর্তারা জানান, গত বছর দেশটিতে মোট জন্ম হয়েছে মাত্র ৭৯ লাখ ২০ হাজার। এতে প্রতি হাজারে জন্মহার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৩।

১৯৪৯ সাল থেকে জন্মহারের তথ্য সংরক্ষণ শুরু করে চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো-এনবিএস। ওই বছরই কমিউনিস্ট নেতা মাও সে-তুং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। সেই সময় থেকে এটাই চীনের সর্বনিম্ন জন্মহার।

দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেইজিং সরকার বিয়ে ও সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- শিশু পরিচর্যা ভর্তুকি দেওয়া এবং কনডমের ওপর কর আরোপের মতো উদ্যোগ। একসময় কঠোর ‘এক সন্তান নীতি’ বাতিল করা হলেও, গত এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে জন্মহার কমেছে চীনে। তবে ২০২৪ সালে সামান্য ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল, যখন প্রতি হাজারে জন্ম হয়েছিল ৬ দশমিক ৭৭। এর আগে ২০২৩ সালে দেশটিতে জন্ম হয় ৯০ লাখ ২০ হাজার শিশুর। সে বছর প্রতি হাজারে জন্মহার ছিল ৬ দশমিক ৩৯, যা তখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

এদিকে, চীনে বিয়ের হারও রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। শিশু লালন-পালনের উচ্চ ব্যয় এবং পেশাগত অনিশ্চয়তার কারণে অনেক তরুণ দম্পতি সন্তান নেওয়া থেকে বিরত থাকছেন। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে চীনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার। এতে প্রতি হাজারে মৃত্যুহার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪। এর ফলে জনসংখ্যা প্রতি হাজারে ২ দশমিক ৪১ হারে কমেছে।