ঢাকা, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১ |

 
 
 
 

কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের দু'দিন পর গৃহবধূর লাশ উদ্ধার : স্বামী আটক

গ্লোবালটিভিবিডি ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১

ছবি- সংগৃহীত

কাজী সাইফুল, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নে বাড়ির আঙিনা থেকে এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই নারীর নাম রেশমা খাতুন (২৪)। নিহত রেশমা খাতুন হোগলা গ্রামের ওহাব আলীর ছেলে মো. সুমন হোসেনের স্ত্রী ও কুমারখালী পৌর এলাকার তেবাড়িয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে সুমনের সাথে রেশমার বিয়ে হয়। গত দুইদিন যাবৎ রেশমা নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়রা পঁচা দুর্গন্ধ অনুভব করলে গন্ধের কারণ খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে সুমনের বসত ঘরের পাশে ময়লার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর উৎস খুঁজতে গিয়ে স্তূপের ভেতর থেকে মানুষের হাতের তিনটি আঙ্গুল দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে ময়লার স্তূপ থেকে একজন মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে এবং মরদেহটি দেখে গৃহবধূ রেশমার বলে শনাক্ত করেন নিহতের ভাই সুজন। মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের তিন ঘণ্টার মধ্যে পলাতক থাকা ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘাতক স্বামী পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে খুনের দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত রেশমার ভাই সুজন হোসেন জানান তার বোনের ওপর অমানুষিক নির্যাতন করতো সুমন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রেশমার সঙ্গে তার পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। এর পর থেকেই অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে না পেয়ে কুমারখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের বাড়ির আঙিনা থেকে রেশমা খাতুন নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে পলাতক ঘাতক স্বামীকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে খুনের দায় স্বীকার করেছে ঘাতক স্বামী সুমন।

আরকে/জেইউ 


oranjee