ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২০ | ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

 
 
 
 

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভারতে ৩ জনের মৃত্যু

গ্লোবালটিভিবিডি ৮:৫৭ অপরাহ্ণ, মে ২০, ২০২০

ফাইল ছবি

ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভারতে ৩ জনের মৃত্যু ভারতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। এর মধ্যে উড়িষ্যায় এক জনের, পশ্চিমবঙ্গের মৃত্যু হয়েছে দুই জনের।

ভারতে প্রথম মৃত্যু হয় ওড়িশার ভদ্রক জেলায়। সেখানে ঘরের দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় এক দুই মাসের শিশুর।
মঙ্গলবার রাতে ভদ্রক একটি তিহিদি ব্লকের কান্নাডা গ্রামের নিজের বাড়ির নিজেদের বাড়িতে ঘুমাচ্ছিল কৃষক বলরাম দাসের ছেলে। সারারাত ধরে বর্ষণের কারণে বুধবার সকালে মাটির দেয়াল ভেঙে পড়ে। আর তাতেই চাপা পরে মৃত্যু হয় ওই শিশুর।

আম্পানের প্রভাবে বুধবার ভোররাত থেকেই ভদ্রক, কেন্দ্রপাড়া, কটক, পুরী, গঞ্জাম, জয়পুর, বালাসোর-এর মতো ওড়িশার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টি ও ঝড় শুরু হয়। রাজ্যটির পারাদ্বীপ বন্দরে সবথেকে ভয়ঙ্কর রূপ ছিল এই ঘূর্ণিঝড়ের। সেখানে ঝড়ের গতি বেগ সকালের দিকে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি ছিল। ঝড়ের দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে পড়ে বহু গাছ। ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি।

এদিকে, আম্পানের কারণে পশ্চিমবঙ্গে দুই জনের মৃত্যু হয়। দুপুরের দিকে টিনের চালের আঘাতে হাওড়ায় ১৩ বছরের এক কিশোরীর মৃত্যু হয়। বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁয় ৫৬ বছর বয়সী নুরজাহান বেহরার মৃত্যু হয় গাছের ডাল ভেঙে পড়ে।

তবে প্রাণহানি না হলেও কার্যত ধ্বংসের মুখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা নামখানা ও বকখালি। নবান্ন সূত্রে খবর উপকূলের এই অঞ্চলগুলোতে সব থেকে বেশি কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়া এবং গাছ উপড়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

দুপুরে স্থলভাগে ঢোকা শুরু করে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্পান। বেলা আড়াইটে নাগাদ আম্ফানের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দীঘা এবং বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যবর্তী এলাকায়। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটারের বেশি। এরপর টানা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি জেলার বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালায়। এর ফলে এই সমস্ত এলাকায় প্রবল বেগে ঝড়ো হাওয়া, সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। সময় যত কাটে বৃষ্টি ও হাওয়ার তীব্রতা ততই বাড়তে থাকে।

এএইচ


oranjee