ঢাকা, শুক্রবার, ৫ মার্চ ২০২১ |

 
 
 
 

আসছে বুলেট ট্রেন: ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া যাবে ৫৫ মিনিটে

গ্লোবালটিভিবিডি ১:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০১, ২০২০

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বুলেট ট্রেন চালু হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছানো যাবে মাত্র ৫৫ মিনিটে। অর্থাৎ, ছয় ঘণ্টার জায়গায় সময় বাঁচবে পাঁচ ঘণ্টা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বুলেট ট্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে। আর দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করবে। এর জন্য একজন যাত্রীকে ভাড়া গুণতে হবে ২ হাজার টাকার মত।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের ৩২১ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমীক্ষা প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয় ২০১৭ সালের ১৮ মার্চ। একই বছরের ৩১ মে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়। প্রস্তাবিত দ্রুতগতির রেলপথটি যাবে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্য দিয়ে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা বা লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মাণ করা হলে এ পথে যাতায়াতে এক ঘণ্টারও কম সময় লাগবে।

সমীক্ষা প্রকল্পটির অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১০০ কোটি ৬৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ২০১৭ সালের ০১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। কিন্তু ডলারের দাম ও পরামর্শক খাতে ব্যয় বৃ্দ্ধির কারণে পিছিয়ে যায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রকল্প। সমীক্ষা প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এখন পরবর্তী মূল প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

২০১৭ সালে সমীক্ষা প্রকল্পে পরামর্শক সেবা বাবদ মোট ব্যয় ছিল ৯৭ কোটি ৪১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। তখন বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের সঙ্গে টাকার বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ১ মার্কিন ডলার সমান ৭৮ টাকা ৪০ পয়সা। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ১ মার্কিন ডলার ৮৩ টাকা ৮৫ পয়সা খরচ করে কিনতে হয়েছে। ফলে এই খাতে অতিরিক্ত ৯ কোটি ৭৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বৃদ্ধি পায়। সার্বিকভাবে সমীক্ষা প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, এই টাকা সমন্বয় করতে প্রকল্পের মেয়াদ কয়েক মাস বাড়ে।

যৌথভাবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশার কাজ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন (চীন) এবং মজুমদার এন্টারপ্রাইজ (বাংলাদেশ)। আগামী জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্পটির নকশা তৈরির কাজও শেষ হবে বলে আশা করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

এএইচ/জেইউ 


oranjee