ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২০ | ২০ শ্রাবণ ১৪২৭

 
 
 
 

জার্মানিতে ‘সাদা সোনা’ আবিষ্কার, ব্যাপক সম্ভাবনা

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:২৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০২, ২০২০

ছবিঃ সংগৃহীত

আধুনিক প্রযুক্তির বেশিরভাগই এখন ‘সাদা সোনা’ অর্থাৎ, লিথিয়াম-নির্ভর। এতদিন ধরে তা আমদানি করে নিজের চাহিদা মেটাতো ইউরোপের দেশ জার্মানি। তবে  সেদেশের বিজ্ঞানীদের সাফল্যে এখন লিথিয়াম রফতানির স্বপ্নও দেখছে জার্মানি।

অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ হলেও জার্মানি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ নয়। আর এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে লিথিয়ামও আমদানি করতে হত এই দেশকে। বিশাল সাদা সোনার সন্ধান পাওয়াতে এখন থেকে আর জার্মানিকে অন্য দেশের দিকে তাকাতে হবে না।বরং সাদা সোনার খনি এতটাই বড় যে, অন্য দেশকে এখন থেকে জার্মানির উপর ভরসা রাখতে হবে।

মোবাইল ফোন, ট্যাব, ঘড়িসহ অনেক কিছুই লিথিয়াম ব্যাটারি ছাড়া চলে না। এই লিথিয়াম সব দেশে হয় না। বিশ্বের প্রায় ৮০ ভাগ লিথিয়াম হয় খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ চিলি, আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায়। আর এই কারণে জার্মানির তৈরি লিথিয়াম ব্যাটারিতেও থাকে আমদানি করা লিথিয়াম। তবে সেই দিন শেষ হতে চলেছে।

সম্প্রতি থার্মাল ওয়াটার থেকে লিথিয়াম আহরণের উপায় আবিষ্কার করেছেন জার্মানির কার্ল্সিগফ্রুহে ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (কেটিটি)-র বিজ্ঞানীরা।

জানা গিয়েছে, জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমের ওবারাইনগ্রাবেন (আপার রাইন রিফ্ট ভ্যালি)-এর মাটির গভীর থেকে থার্মাল ওয়াটার তুলে তা থেকে বের করা হয়েছে লিথিয়াম। এক বিবৃতিতে কেটিটি বলেছে, ‘‘আমরা প্রতি লিটার (থার্মাল ওয়াটার) থেকে ২০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত লিথিয়াম বের করতে পেরেছি৷”

কেটিটি-র গবেষক ইয়েন্স গ্রিমার মনে করেন, মাটির নিচে যে পরিমাণ লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে তার পুরোটা উত্তোলন করা হলে তা দিয়ে জার্মানির চাহিদার অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব হবে।

মাটির নীচ থেকে লিথিয়াম উত্তোলনের সহজ একটা প্রযুক্তিও উদ্ভাবন করেছেন ইয়েন্স গ্রিমার ও তার সহকর্মী ফ্লোরেন্সিয়া সারাভিয়া। গ্রিমার-সারাভিয়া নামে পেটেন্টও করা হয়েছে৷ জার্মান দুই বিজ্ঞানীর উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সহায়তায় প্রচলিত প্রযুক্তির তুলনায় অনেক সহজে এবং কম সময়ে বেশি লিথিয়াম তোলা যাবে। তথ্যসূত্রঃ কলকাতা ২৪*৭

জেইউ

 


oranjee