ঢাকা, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২০ |

 
 
 
 

মোংলায় সালিশ বৈঠক শেষে হামলায় ইউপি মেম্বারসহ ৫ জন জখম

গ্লোবালটিভিবিডি ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ০৫, ২০২০

ছবি: গ্লোবাল টিভি

মোঃ এনামুল হক, মোংলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোংলায় সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় স্থানীয় ইউপি মেম্বরসহ অন্তত ৫ জন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে আহত আলমগীর মল্লিকের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের মালগাজী গ্রামের মারিয়া সরকারের ছেলে পার্থ সরকার (২৫) একই এলাকার জনৈক ব্যক্তির মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে ওই মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়েন এবং একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পার্থ সরকার ওই মেয়েকে ও তার কন্যাকে স্বীকৃতি না দেয়ার কারণে শনিবার সন্ধ্যার পর সালিশ বৈঠক বসে।

চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের এ সালিশিতে পার্থ ওই মেয়েকে স্ত্রী বলে মেনে নিয়ে বিয়ে করবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। সালিশিতে ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মো: তারিকুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর মল্লিক, মিঠাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো: ইস্রাফিল হাওলাদারসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সালিশ শেষে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চলে এসে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পথিমধ্যে মালগাজী মিশন বাড়ীর মোড়ে সালিশ বৈঠকে থাকা ইউপি মেম্বার ও তার সাথের লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা চালায় পার্থর অনুসারীরা। এ সময় পার্থ, পার্থর মা মারিয়া, খালা চন্দনা, খালাতো ভাই সেতু এবং তাদের সহযোগী বেশ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মেম্বার জাহাঙ্গীরসহ ৫ জনকে জখম করে। পরবর্তীতে আহতদের উদ্ধার করে রাতেই স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহত আলমগীর মল্লিক, রাহাত মল্লিক, জাহিদ মল্লিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন, সালিশ মন মতো না হওয়ায় পার্থ ও তার মা মারিয়াসহ অন্যরা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এবং কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। এর মধ্যে আমার ভাই আলমগীর মল্লিকের অবস্থা খুবই খারাপ। তাঁকে এবং রাহাত ও জাহিদকে খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তারা সবকিছু দেখে ও শুনে এসেছে। অভিযোগ পেলে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এএইচ/জেইউ


oranjee