ঢাকা, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪ | ৯ আষাঢ় ১৪৩১ | ১৭ জিলহজ ১৪৪৫

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর অনুষ্ঠানে অপর পক্ষের হামলার অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীর অনুষ্ঠানে অপর পক্ষের হামলার অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার লাকসামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আসা লোকজনের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল মান্নানের। এ সময় তার বাড়ি ও ব্যক্তিগত অফিসে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। 

এ ঘটনায় আবদুল মান্নানের সমর্থিত আওয়ামী লীগকর্মী মো. ফারুক, রাশেদ, শাহজাহান, মনির হোসেনসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে লাকসাম পৌরসভার আবদুল মান্নানের বাড়ির পাশে গাজিমুড়া কামিল মাদ্রাসা মাঠ ও পাশের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাকসামের গাজিমুড়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে বিকাল ৩টায় আলোচনাসভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল মান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। বিকাল সোয়া ৩টার দিকে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছেন এবং সেখানে অনুষ্ঠানের অনুমতি নেয়া হয়নি বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে গেট বন্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। 

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল মান্নানের লোকজন মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠান করতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়নি। তাই তাদের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে রুবেলসহ আমাদের দুই-তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন। 

তবে আবদুল মান্নান জানান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতিতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা শিহাব, রাসেল ও স্বাধীনের নেতৃত্বে তাদের সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে অনুষ্ঠানে আসা লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ১০ জনকে গুরুতর আহত করা হয়। 

তিনি জানান, হামলাকারীরা ঘটনাস্থলের অদূরে তার বাড়িতে এবং দৌলতগঞ্জ বাজারে তার ব্যক্তিগত অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং অফিস ও অনুষ্ঠানস্থলের চেয়ার-টেবিল নিয়ে যায়। হামলাকারীরা স্থানীয় এমপি ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের অনুসারী।

লাকসাম থানার ওসি আবদুল্লাহ আল-মাহফুজ বলেন, মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠানের বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। তবে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।