ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ | ১৪ শা‘বান ১৪৪৫

ডয়ানার মৃত্যুর এত দিন পরে মুখ খুললেন পুত্র হ্যারি!

ডয়ানার মৃত্যুর  এত দিন পরে মুখ খুললেন পুত্র হ্যারি!

ফাইল ছবি

‘স্পেয়ার’ নামে আত্মজীবনীমূলক বইতে নিজের জীবনের অনেক ব্যক্তিগত বিষয় সামনে এনেছেন প্রিন্সেস অব ওয়েলস ডায়ানার পুত্র হ্যারি। সড়ক দুর্ঘটনায় প্যারিসে হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়ানা নিহত হন। কিন্তু মায়ের মৃত্যুতে তিনি শুধু একবারই কাঁদতে পেরেছিলেন। এখনো পেছনে ফিরে তাকালে এ জন্য অনুতাপ হয় ব্রিটিশ এই রাজপুত্রের।

১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট মর্মান্তিক ফ্রান্সের প্যারিসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন ডায়ানা। সেইসময় দুই রাজপুত্র যুক্তরাজ্যে ছিলেন। ৬ সেপ্টেম্বরে ডায়ানাকে সমাধিস্থ করা হয়। তাকে শেষ বিদায় জানাতে হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে করমর্দন করতে হয়েছিল উইলিয়াম ও হ্যারির। বিদায় জানাতে আসা মানুষের হাত ভেজা ছিল। কারণ তারা চোখের জল মুছছিলেন। কিন্তু মায়ের মৃত্যুতে নিজেই কাঁদতে পারেননি হ্যারি।

রাজপরিবারের সদস্যদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে হয়। তারই অংশ হিসেবে ডায়ানার দুই ছেলে উইলয়াম ও হ্যারিকে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে হয়েছে। ডায়ানার কফিনের সঙ্গে হাঁটার সময় তাদের দুজনকেই বিমর্ষ লাগছিল।  হ্যারি বলেছেন, কেনসিংটন প্যালেসের সামনে শোকজ্ঞাপনকারীদের মধ্য দিয়ে হাঁটার সময় তার অনুতাপ হয়েছিল। 

একটি টিভি সাক্ষাৎকারে হ্যারি বলেন, আমি একবারই কেঁদেছিলাম, মাকে সমাধিস্থ করার পর। কেনসিংটন প্যালেসের বাইরে হাঁটার সময় আমার খুবই খারাপ লাগছিল, অদ্ভুত লাগছিল, আমি মনে করি উইলিয়ামেরও (হ্যারির বড় ভাই) ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। মায়ের জন্য ৫০ হাজার ফুলের তোড়া ছিল, আমরা শোকজ্ঞাপনকারী মানুষের সঙ্গে করমর্দন করছিলাম, হাসি হাসি মুখে... তাদের হাত ভেজা ছিল... আমি বুঝতে পারিনি কেন ভেজা ছিল। কিন্তু এটা ভেজা ছিল কারণ তারা চোখের পানি মুছছিল। মনে হয়েছিল সবাই যেন মাকে চেনে ও জানে। কিন্তু মায়ের খুব কাছের দুটি মানুষ, যাদের তিনি অনেক ভালোবেসেছিলেন (হ্যারি ও উইলিয়াম) তারাই সেই মুহূর্তে কোনো আবেগ প্রদর্শন করতে পারেনি’।

সূত্র : বিবিসি।

এএইচ
গ্লোবাল টিভি বিডি