ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৭ মাঘ ১৪২৯ | ৯ রজব ১৪৪৪

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ রাসেল দিবস পালিত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ রাসেল দিবস পালিত

ছবি: গ্লোবাল টিভি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ রাসেল দিবস-২০২২ পালিত হয়েছে।  মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন, টিএসসিতে বৃক্ষরোপণ, ও শহীদ ডা. মিল্টন হলে আলোচনা সভা আয়োজিত হয়।

এ সব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ. আ.ম.স আরেফিন সিদ্দিক। 
তিনি বলেন,  একজন  শিশু শেখ রাসেলের জীবন শুরুই হল না। কিন্তু কিভাবে শিশু রাসেলের জীবন নিভে গেল! এটি নির্মমতার প্রতীক। এ বয়সের শিশুরা এটা ওটা চায়। কিন্তু ঠিক এর বিপরীত ছিলেন শেখ রাসেল। সে গ্রামে যেতে ভালবাসতেন। গ্রামে যাবার সময় অনেক জিনিসপত্র নিয়ে যেতেন। গ্রামে গিয়ে গরীব ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের জিনিসপত্র দিতেন। গ্রামের গরীব মানুষদেরও জিনিসপত্র দিতেন। অন্যের সেবাই  করাই ছিল তাঁর জীবনের লক্ষ্য।   

সভাপতির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে নির্মল ব্যক্তিত্ব, নিষ্পাপ ব্যক্তিত্ব ও নির্ভীক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন। দেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রায় সকল রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশে শেখ রাসেলকে নিয়ে যেতেন। বঙ্গবন্ধু বিশ্বের বড় বড় নেতা ফিডেল ক্যাস্ট্রো, গর্বাচভের পাশেও শেখ রাসেলকে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবে শেখ রাসেলকে যোগ্য হিসেবে তৈরী করা।

বিশেষ আলোচক ছিলেন বিএসএমএমইউ উপ-উপাচার্য ( গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, উপউপাচার্য ( শিক্ষা)  অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন,  উপউপাচার্য ( প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান প্রমুখ । 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএসএমএমইউ'র ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. স্বপন কুমার তপাদার।

এএইচ