ঢাকা, সোমবার, ১৬ মে ২০২২ | ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ | ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩

অবসরপ্রাপ্ত ঢাবি অধ্যাপক সাহিদার লাশ উদ্ধার: গ্রেপ্তার ১

অবসরপ্রাপ্ত ঢাবি অধ্যাপক সাহিদার লাশ উদ্ধার: গ্রেপ্তার ১

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাহিদা গাফফারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত সাহিদা গাফফার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ২০১৬ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর স্বামী কিবরিয়াউল খালেকও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

এই হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার করা আনোয়ারুলকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর থানা থেকে আসামি আনোয়ারুল ইসলামকে নিয়ে আদালতে যায় পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ারুল গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর থানার বুর্জুগ জামালপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে সে।

শুক্রবার সকালে গাইবান্ধা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আনোয়ারুলকে। সে প্রফেসর সাহিদা গফফারের বাড়ি নির্মাণ কাজের রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করত। অধ্যাপকের কাছে অনেক টাকা দেখে তা ছিনিয়ে নিতে সাহিদা গাফ্ফারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায় সে। তার দেয়া তথ্য মতে, নির্মাণাধীন বাড়ির অদূরে একটি ঝোপের মধ্য থেকে শুক্রবার তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

কাশিমপুর থানার এস আই দীপঙ্কর রায় বলেন, হত্যাকাণ্ডে নিহতের ছেলে সাউথ ইফখার বাদী হয়ে আনোয়ারুলকে আসামি করে কাশিমপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা যায়, গাজীপুরের পানিশাইল এলাকায় অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে প্রফেসর সাহিদার প্লট ছিল। পানিশাইল এলাকার মোশারফ হোসেন মৃধার বাসায় ভাড়া থেকে তিনি বাড়ি নির্মাণ করছিলেন। ১১ মাস ধরে তিনি একাই থাকতেন ভাড়া বাসায়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ছেলে-মেয়েরা মা সাহিদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। মেয়ে সাহিদা আফরিন মায়ের নিখোঁজের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার কাশিমপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেই জিডির সূত্র ধরে রাজমিস্ত্রি আনোয়ারুলকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এএইচ