ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ | ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩

প্রশ্নফাঁসে আহছানিয়া মিশন প্রিন্টিং প্রেসের কর্মীসহ গ্রেফতার ৩

প্রশ্নফাঁসে আহছানিয়া মিশন প্রিন্টিং প্রেসের কর্মীসহ গ্রেফতার ৩

ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিম। গ্রেফতাররা হলেন- আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক (পিয়ন) দেলোয়ার হোসেন (৩১) ও তার দুই সহযোগী পারভেজ মিয়া (২৯) ও রবিউল আউয়াল (৩৪)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ১২ জন। 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, ওই তিনজনকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানায়, পাঁচ ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার দুইদিন আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। পিয়ন দেলোয়ার পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র বের করার অনুরোধ করে প্রেসের কাটিং মাস্টার রবিউলকে। পরে সে ল্যাব সহকারী পারভেজ মিয়ার হাতে প্রশ্নপত্র তুলে দেয়। ওই সময় তার সঙ্গে আহসানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনিশিয়ান মুক্তারুজ্জামানও ছিলেন। এই মুক্তারুজ্জামানকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেলোয়ার ও রবিউল এক লাখ টাকা পেয়েছে বলে জানান ডিবি কর্মকর্তা ওয়াহিদুল।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, জবানবন্দিতে ওই তিনজন প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এর আগে পাঁচ ব্যাংকের প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত এই চক্রের ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির আওতায় গত ৬ নভেম্বর আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে সোনালী, রূপালী, জনতা, অগ্রণী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের এক হাজার ৫১১টি পদে জনবল নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 

তবে এই পাঁচ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ডিবি পুলিশও ফাঁস চক্রের ৯ জনকে গ্রেফতার করে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা জানায়। এরপরই ওই পরীক্ষা বাতিল করা হয়। 

এমএস