ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪ মাঘ ১৪২৬

 
 
 
 

ব্রিটেনে নির্বাচন

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির বড় জয়

গ্লোবালটিভিবিডি ১:৩০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২৬টি আসন। এখন পর্যন্ত দলটি পেয়েছে ৩৫৮টি আসন। অপর দিকে প্রধান বিরোধী লেবার পার্টি পেয়েছে ২০২টি আসন।

বুথ জরিপকে সত্যি করে বিশাল জয়ে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতায় ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৩২৬টি আসন ছাপিয়ে টোরিদের ঝুলিতে পড়েছে সাড়ে তিন শতাধিক আসন।

নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এই জয় ব্রেক্সিটের পক্ষে গণরায়। এটি একটি ঐতিহাসিক জয়। কনজারভেটিভ সরকার কেবল ব্রেক্সিট কার্যকর করাই নয় বরং এ জয় দেশকে একতাবদ্ধ করা এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও নতুন করে শক্তিশালী আদেশ।

এদিকে, দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন। তবে এখনই পদত্যাগ করছেন না তিনি। তিনি বলেন, লেবার পার্টির জন্য এটি হতাশার রাত। তিনি তাঁর ভোটার, পরিবার এবং বন্ধুদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সহযোগিতার জন্য।

লেবার পার্টি নির্বাচনে হেরে গেলেও জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার নারী। বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক। লন্ডনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্নে লেবার পার্টির প্রার্থী টিউলিপ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির জনি লাক পেয়েছেন ১৩ হাজার ৮৯২ ভোট। এ নিয়ে টানা তিনবার এ আসন থেকে জয় পেয়েছে তিনি।

টানা তিনবার জয় পেয়েছেন আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা হক। এছাড়াও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক রুশনারা আলি জয় পেয়েছেন টানা চারবার। আর প্রথমবারের মতো জয় পেয়েছেন আফসানা বেগম। তিন জনই লেবার থেকে লড়েছেন।

এদিকে টুইটে বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জয়ে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে বলে আসাবাদ সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে'র।

পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় এবং এমপিদের বিরোধিতার কারণে এ পর্যন্ত ব্রেক্সিট কার্যকর করতে পারেনি কনজারভেটিভরা। এ অচলাবস্থা কাটাতেই প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আগাম নির্বাচন ডেকেছিলেন। ক্ষমতায় ফিরলে ৩১শে জানুয়ারিতেই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

এমএস


oranjee