ঢাকা, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ |

 
 
 
 

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ

নুর-রাশেদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে নতুন কমিটি ঘোষণা

গ্লোবালটিভিবিডি ২:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২০

ছবিঃ সংগৃহীত

ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে 'অবাঞ্ছিত' ঘোষণা করেছে সংগঠনের একাংশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ২২ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে এই অংশ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। নতুন কমিটির সংগঠন তাদের প্রথম নাম 'বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ' নামেই রয়েছে বলে জানানো হয়।

নতুন কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন এ পি এম সুহেল। তিনি অখণ্ড সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

এ পি এম সুহেল বলেন, 'মানুষের আবেগ ও বিশ্বাস নিয়ে নোংরা রাজনীতি, মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে সরে আসা, আর্থিক অস্বচ্ছতা, স্বেচ্ছাচারিতা, অগণতান্ত্রিকভাবে সংগঠন পরিচালনা, ত্যাগী ও দুঃসময়ের সহযোদ্ধাদের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অবমূল্যায়ন করা এবং সম্প্রতি ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলাকে কেন্দ্র করে নোংরা রাজনীতিকরণের অপচেষ্টার প্রতিবাদ ও সাংগঠনিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।'

কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল সম্রাট বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে মিলেমিশে কাঁধে কাঁধ রেখে একসঙ্গে পথ চলা, সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে ভালো। কিন্তু সে আদর্শ থেকে তারা আজ যোজন-যোজন দূরত্বে সরে গেছে। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে স্লোগান নিয়ে আমরা আমাদের সাংগঠনিক যাত্রা শুরু করেছিলাম। সেই সংগঠনে নিজেরাই বারবার যারা রাজনীতির নামে হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে চায় তাদের মাধ্যমে অন্যায়ের শিকার হচ্ছি। গুটি কয়েক নেতার অহমিকা, অহঙ্কার, একরোখা সিদ্ধান্তের কারণে সাংগঠনিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে আমাদের হাজারো মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে ওঠা সংগঠন। এর ফলে একে একে বিভিন্ন কেলেঙ্কারি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে যা আমাদের জন্য খুবই লজ্জাস্কর এবং দুঃখজনক।'

গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী রাজধানীর লালবাগ থানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনকে সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করা হয়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর তিনি এই ছয় আসামির বিরুদ্ধে নতুন আরেকটি মামলা করেন কোতোয়ালি থানায়। এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অপহরণ, ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা এবং হেয় প্রতিপন্ন করতে ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ আনা হয়।

এএইচ/জেইউ

 


oranjee