ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ |

 
 
 
 

৬০ বছর ধরে ইট ভাঙছেন তিনি

গ্লোবালটিভিবিডি ১২:৪৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২০

ছবিঃ সংগৃহীত

খাগড়াছড়ির পানছড়ির প্রধান সড়কে ২০ বছর বয়স থেকে তিনি ইট ভাঙছেন। সেই হিসেবে তাঁর ইটভাঙা কাজের বয়স ৬০ বছর পেরিয়েছে।

নবী হোসেনের বয়স এখন প্রায় ৮২ বছর। পাঁচ সন্তানের জনক নবী হোসেনের বাবা-মা জিন্নত আলী ও আহসান বানু। খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। ছোটবেলায় এক সময় উল্টাছড়ি হাজি ক্যাম্পই ছিল তাঁর ঠিকানা। পরে বসবাস শুরু করেন মোহাম্মদপুর এলাকায়।

এক সময় ৩৫ থেকে ৪০ ফুট করে ইট ভাঙতে পারতেন নবী। তখন প্রতিদিন আয় হতো সাত-আট শ টাকা। এখন আর সেই বয়স নেই। ১৫ থেকে ২০ ফুটের বেশি ভাঙা সম্ভব হয় না। আগে প্রতি ফুট ভাঙানি ছিল ২০ থেকে ২২ টাকা। এখন তা ১৫ থেকে ১৬ টাকা। ইট ভাঙা মেশিন বের হওয়ার পর থেকেই মজুরি কমেছে বলে তাঁর দাবি। আগের মতো আর শক্তিও নেই। বিকেল হলেই হাতব্যথা শুরু হয়। ওষুধ খেতে হয়। চোখের দৃষ্টিও আগের মতো নেই।

তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। বড় দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা বসবাস করছেন। স্ত্রী, ছেলে মুন্না ও মেয়ে কামরুন নাহার পলিকে নিয়েই এখন তাঁর সংসার। ছেলে মুন্না রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। মেয়ে পলি পানছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রি শেষ বর্ষের ছাত্রী। মেয়ের একটি সরকারি চাকরি হলেই তাঁর কষ্ট লাঘব হতো। শেষ বয়সে মেয়ের সরকারি চাকরি দেখে মরে গেলেও তাঁর আর দুঃখ থাকবে না বলে জানালেন তিনি।

এএইচ/জেইউ

 


oranjee