ঢাকা, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪ মাঘ ১৪২৬

 
 
 
 

ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে সরে যাচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান

গ্লোবালটিভিবিডি ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৯, ২০২০

ছবিঃ সংগৃহীত

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কলে। রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

দম্পতি বলছেন, তাঁরা উত্তর আমেরিকায় বসবাস করবেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে দীর্ঘ প্রতিষ্ঠিত সম্পর্কেরও ছেদ ঘটাবেন।

গত একটি বছর ছিল এই দম্পতির জন্য উত্তাল সময়। তাঁরা এবার প্রকাশ্যে বলছেন, রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁদের গণমাধ্যমের নজরে থাকতে হচ্ছে। এতে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন অসুবিধায় পড়ছে। প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যের পদ থেকে আমরা সরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করছি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা স্বাধীন হতেই কাজ করব।

তবে এ সময় রানীর প্রতি অব্যাহত সমর্থন রাখার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

এদিকে তাঁদের এ ঘোষণায় রাজপরিবার বিস্মিত হয়েছে।

বিবিসির রয়্যাল করেসপনডেন্ট জনি ডায়মন্ড লিখেছেন, হ্যারি-মেগানের ওই ঘোষণা বাকিংহাম প্রসাদকে বেশ বড় ধাক্কাই দিয়েছে। রাজপরিবার তাদের সিদ্ধান্তের কারণে যতটা না আহত হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি আহত হয়েছে তারা যেভাবে আলোচনা না করে ওই ঘোষণা দিয়েছেন তা নিয়ে।

বাকিংহাম প্রাসাদের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, হ্যারি-মেগান যে আলাদা জীবন চাইছেন সেটি তারা বুঝতে পারছেন। তবে এখানে জটিল অনেক বিষয় আছে, আর তার সমাধান করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

অবশ্য তাঁরাই প্রথম নন, হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়ানাও প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিচ্ছেদের আগে ১৯৯৩ সালে রাজকীয় দায়িত্ব কমিয়ে নিজের মতো জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তার আগে ১৯৩৬ সালে রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড তো মার্কিন নারী ওয়ালিস সিম্পসনকে বিয়ে করার জন্য সিংহাসনই ত্যাগ করেছিলেন।

এ ছাড়া হ্যারির চাচা প্রিন্স অ্যান্ড্রু গত বছর শেষ দিকে এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আর অ্যান্ড্রুর সাবেক স্ত্রী সারাও তাদের বিচ্ছেদের পর রাজকীয় দায়িত্ব থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন।

এএইচ/জেইউ


oranjee