ঢাকা, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০ | ১৪ মাঘ ১৪২৬

 
 
 
 

বিড়ালের এতিমখানা খুললেন গৃহিণী

গ্লোবালটিভিবিডি ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৯

ছবিঃ সংগৃহীত

নিজ বাড়িতে রাস্তার অসুস্থ বিড়ালের জন্য একটি এতিমখানা খুলে বিশ্বব্যাপী আলোচনায় উঠে এসেছেন দিতা আগুস্তা নামের ৪৫ বছর বয়সী এক গৃহিণী। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা দ্বীপের পারুং এলাকার বাসিন্দা তিনি।।

২০১৫ সাল থেকে এতিমখানাটি চালু করেন দিতা আগুস্তা। তার স্বামীর নাম মোহামাদ লুতফি। তিনিও তাকে এই কাজে সহায়তা করে যাচ্ছেন অক্লান্ত।
সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এক ভিডিও প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে বিড়ালের প্রতি দিতা আগুস্তার ভালোবাসার কথা।

বর্তমানে তাঁর বাড়িতে আছে ২৫০টির বেশি বিড়াল। ক্ষুধা লাগলেই তারা ডাকাডাকি শুরু করে। দিতা আগুস্তা তখন একটি ট্রেতে করে খাবার নিয়ে আসেন তাদের জন্য। এরপর তাদের বিশ্রামের জন্য ঘরের দেয়ালে তৈরি করে দেওয়া কাঠের তাকে গিয়ে চুপটি করে শুয়ে থাকে।

দিনের একটা সময়ে বিড়ালগুলো খেলায় মেতে ওঠে দিতা আগুস্তার সঙ্গে। বিড়ালগুলোর সঙ্গে খেলা করা পছন্দের কাজ দিতার। বিড়ালগুলো পছন্দ করে তাঁর সঙ্গ।

দিতা জানান, রাস্তায় অসুস্থ বিড়াল দেখলেই মায়া হয় তার। তিনি সেগুলো নিয়ে আসেন নিজের বাড়িতে। তাদের অন্তর থেকেই ভালোবাসেন তিনি। তবে সুস্থ বিড়াল ঘরে আনেন না তিনি। তাঁর ভাষ্য, সুস্থ বিড়ালগুলো নিজেরাই বাঁচতে পারবে। অন্তর থেকেই তিনি অসুস্থ বিড়ালগুলোকে ভালোবাসেন।

রয়টার্স জানায়, দিনে দুইবার বিড়ালের বর্জ্য পরিষ্কার করেন ওই দম্পতি। এজন্য অবশ্য ছয় জন কর্মী সহায়তা করেন তাদের। বিড়ালের খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য কারণে তার প্রতিদিনের ব্যয় প্রায় ছয় হাজার টাকা। ওই টাকা নিজেদের তহবিল থেকেই ব্যয় করেন তারা। কারও সহায়তা নেন না এখনো।

সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কায় কোন বিড়ালকে বন্ধ্যা করা হয় না এই এতিমখানায়। অবশ্য কেউ দত্তক হিসেবে নিতে চাইলে তাকে স্বাগত জানান তাঁরা। বিকলাঙ্গ বিড়ালগুলো সারা জীবনই থাকতে পারে এই এতিমখানায়।

এএইচ/জেইউ


oranjee