ঢাকা, রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ |

 
 
 
 

হাইকোর্টের সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তি জাসদের নেতা

গ্লোবালটিভিবিডি ২:৫২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০২১

ফাইল ছবি

রাজধানীর হাইকোর্ট মাজার সংলগ্ন ঈদগাহের সামনের রাস্তায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। হামিদুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি সেগুনবাগিচায় ডিশ লাইনের ব্যবসা করতেন।

তিনি জাসদের শাহবাগ থানার সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

রবিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে হামিদুলের ছোট ভাই মো. ওয়াহিদুল ইসলাম তাঁর পরিচয় শনাক্ত করেন। তাঁদের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর কলেজ রোডে। বাবার নাম রফিকুল ইসলাম।

পুলিশের ধারণা, ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে হামিদুল নিহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে হাইকোর্ট মাজার সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠের সামনের রাস্তায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন ঐ ব্যক্তি। এক রিকশাচালক তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর হাতে এবং পায়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।

হামিদুলের ভাই ওয়াহিদুল জানান, চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন হামিদুল। তিনি মেয়ে নায়না ইসলাম, ছেলে নাহিদুল ইসলাম ও স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে নিয়ে সেগুনবাচিগা হাইস্কুলের পাশে একটি বাসায় থাকতেন। ১৯৯০ সালের পর থেকে তিনি সেগুনবাগিচা ও এর আশপাশের এলাকাতে ডিশ লাইনের ব্যবসা করেন। হামিদুলের সঙ্গে কারও শত্রুতা আছে বলে আমরা শুনিনি।

পারিবারিক সূত্র জানায়, পুরান ঢাকার সিদ্দিকবাজারে একটি ভবনে তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে হামিদুলের। সাদেক মিয়া নামে একজন সেখানে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন। শনিবার রাতে হামিদুল সাদেকের সঙ্গে হাইকোর্ট মাজারের সামনে দেখা করেন।

সাদেক মিয়া জানান, রাত ৮টার দিকে হাইকোর্ট মাজারের সামনে দেখা করে হামিদুলকে বাসা ভাড়ার ১২ হাজার টাকা দেন। পরে সাদেক সিদ্দিকবাজারের দিকে ও হামিদুল তার বাসার দিকে চলে যান। রাত দেড়টার দিকে হামিদুলের ছেলে ফোন করে বলেন, বাবা বাসায় ফেরেননি।

এএইচ/জেইউ 

 


oranjee

আরও খবর :