ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০ | ১২ চৈত্র ১৪২৬

 
 
 
 

‘বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

গ্লোবালটিভিবিডি ৬:০৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০

ছবি : গ্লোবাল টিভি

আনিসুর রহমান : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও ভ্রমণ ম্যাগাজিনের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’, সেই সাথে অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করা বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যৈষ্ঠ সচিব মো. মুহিবুল হকের সভাপতিত্বে ‘ট্যুরিজমঃ এ পেনালটি শুট ফর দ্য ইকনমি অব বাংলাদেশ’ বিষয় নিয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প বিকাশ ও বিশ্বদরবারে এ শিল্পের নবদিগন্ত উন্মোচনের মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন বক্তারা।

এ সময় পর্যটন শিল্প বিকাশের প্রতিবন্ধকতার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কোনো ওয়েব সাইট নেই বলে মন্তব্য করেন ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি রাফিউজ্জামান।

দেশে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ বদ্ধপরিকর বলে জানান ট্যুরিষ্ট পুলিশ প্রধান মল্লিক ফখরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. মোকাব্বির হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, পরিবহন ও পর্যটন একে অন্যের পরিপূরক। এক সময় পর্যটন কর্পোরেশনের তেমন কোন দৃশ্যমান কার্যক্রম ছিল না। তবে বর্তমানে সংস্থাটির বেশ উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম রয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ওয়েব সাইটটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটি বন্ধ রয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

এসময় বাংলাদেশে ট্যুরিজমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক আলোচনা করেন গ্লোবাল টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নওয়াজীশ আলী খান। এছাড়া পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান খ্যাতনামা এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

দেশে পর্যটন শিল্প বিকাশ ও প্রতিবন্ধকতার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মুহিবুল হক বলেন, দেশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে তেমন কোন বিনোদনের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কক্সবাজারে সর্বপ্রথম স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আর পর্যায়ক্রমে দেশের সবগুলো পর্যটন স্থানে এ ধরনের আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, উন্নত দেশের কাতারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই পর্যটন শিল্পের অগ্রগতি অনেক বেশি প্রয়োজন।

এআর/এমএস/জেইউ


oranjee