ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ |

 
 
 
 

ঈদের ৪র্থ দিনের নাটক ‘ঘুড়ি প্রেম’

গ্লোবালটিভিবিডি ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০৪, ২০২০

ছবি: গ্লোবাল টিভি

ঈদের ৪র্থ দিন সৈয়দ জিয়া উদ্দিনের রচনা ও গোলাম মোক্তাদির শানের পরিচালনায় রয়েল টাইগার নিবেদিত (পাওয়ার্ড বাই-ফিজআপ) নাটক ‘ঘুড়ি প্রেম’ প্রচারিত হবে একুশে টেলিভিশনে। আজ মঙ্গলবার রাত ১১টা ২০মিনিটে একুশে টিভিতে নাটকটি দেখা যাবে। এছাড়া নাটকটি গ্লোবাল টিভির ইউটিউব চ্যানেলেও (Global TV Online) দেখা যাবে।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সজল, নাদীয়া নদী, মীম চৌধুরী এবং সবুজ রহমান।

এটি পুরানো দিনের ভালবাসার গল্প, ৮০ বা ৯০ দশকের গল্প এটি। নায়ক সিরাজ সাধারণ পরিবারের সন্তান। বাউন্ডুলে প্রকৃতির সিরাজ। ঘুড়ি ওড়ানোর নেশা আছে তাঁর।

এই এলাকার জমিদার ছিলো আবরার দস্তগীরের পরিবার। এখন জমিদারী নেই তবে অহংকার যায়নি আবরারের। আবরারের দুই মেয়ে বড় মেয়ে নিশি আর ছোট মেয়ে শশী। তাদের দু'জনের বয়স খুব কাছাকাছি, ১৮-১৯ হবে। নিশি পঙ্গু, ঘর থেকে বের হয় না আর শশী চালাক প্রকৃতির মেয়ে।

একদিন সিরাজের ঘুড়ি ভো-কাট্টা হয়ে আবরারের বাড়িতে এসে পড়ে। সিরাজ তার প্রিয় ঘুড়িটি নিতে আবরারের বাড়ি আসলে আবরার তাকে অপমান করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

ঘুড়িটি ছাদ থেকে নিশি পেয়েছিলো। সেখান থেকে সিরাজের বকা খাওয়া দেখে নিশির খুব খারাপ লাগে। তাই সে তার ছোট বোন শশীকে ঘুড়িটি ফেরত দিয়ে আসতে বলে। শশী সিরাজকে লুকিয়ে ঘুড়ি দিয়ে আসে। শশীকে প্রথম দেখেই সিরাজ প্রেমে পড়ে যায়। সিরাজ কথা বলতে চায় শশীর সাথে অথচ শশী যখন কলেজে যায় তার সাথে পাহারায় লোক থাকে। তাই দেখা করা বা কথা বলা খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়।

সিরাজ একটি চিঠি লেখে কিন্তু দেয়ার কোন উপায় পায় না। তাই সে একটা বুদ্ধি বের করে ঘুড়িটি আবরারের ছাদের উপর গোত্তা খাওয়ায় এবং ঘুড়ির বাতার ফাঁকে চিঠি আটকে দেয়। ঘুড়ি আর চিঠিটা দুই বোন একইসাথে পায়। চিঠি পড়ে দুই বোন খুব মজা পায়। চিঠির উত্তর লিখে একসাথেই আর পরের দিন কলেজে যাবার সময় আড়াল করে মাটিতে ফেলে চিঠিটা। সিরাজ চিঠিটা পায়। শুরু হয় প্রেম। এভাবেই চলতে থাকে গল্প।

এএইচ/জেইউ


oranjee