ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

 
 
 
 

চলে গেলেন সংগীত পরিচালক আজাদ রহমান

গ্লোবালটিভিবিডি ৫:৪৮ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২০

ফাইল ছবি

একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-জয়ী সংগীত পরিচালক আজাদ রহমান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজেউন)। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছির ৭৬ বছর।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

তিনি বলেন, ‘আজাদ রহমান অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি।’

আজাদ রহমান করোনায় আক্রান্ত হননি বলেও উল্লেখ করেন গুলজার।

১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আজাদ রহমান। তিনি ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেয়ালে অনার্স সম্পন্ন করেন। ফোক, কীর্তন, ধ্রুপদী সঙ্গীত, খেয়াল, টপ্পা গান, তুমড়ি, রবীন্দ্রসংগীত, অতুল প্রসাদের গান, দিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্তের গানও চর্চা করেন। আজাদ রহমান পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে এসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন।

১৯৬৩ সালে কলকাতায় ‘মিস প্রিয়ংবদা’র সংগীত পরিচালনার মধ্য দিয়ে আজাদ রহমানের চলচ্চিত্রে আগমন। সেই চলচ্চিত্রে তার সুরে কণ্ঠ দেন মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, আরতি মুখার্জি ও প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তার সুরকৃত প্রথম চলচ্চিত্র বাবুল চৌধুরীর ‘আগন্তুক’।

আজাদ রহমানের সুর ও তার কণ্ঠে গাওয়া ‘এপার ওপার’ চলচ্চিত্রের ‘ভালোবাসার মুল্য কত’, ‘ডুমুরের ফুল’-এর ‘কারো মনে ভক্তি মায়ে’, ‘দস্যু বনহুর’-এর ‘ডোরা কাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়’ গানগুলো সত্তরের দশকে জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি কালজয়ী দেশাত্মবোধক গান ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’-এর সুরকার। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অনেক স্বীকৃতি আছে তার ঝুলিতে।

এমএস


oranjee