ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ |

 
 
 
 

অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনবে সরকার

গ্লোবালটিভিবিডি ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০২০

ফাইল ছবি

দেশের ২২টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান কিনবে সরকার।

অ্যাপে ধান সংগ্রহে উপজেলাগুলোকে অনুমোদন দিয়ে সোমবার খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গত আমন মৌসুমে সাত বিভাগের ১৬ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কৃষকের কাছ থেকে অ্যাপের মাধ্যমে ধান কেনা হয়। পরে খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এই বোরো মৌসুমে অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে ৬৪ জেলার একটি করে উপজেলায় ধান ও ১৬ উপজেলায় (অ্যাপে আমন সংগ্রহ করা) মিলারদের কাছ থেকে চাল কেনা হবে। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান থেকে সরে আসে মন্ত্রণালয়। ২২ উপজেলার মধ্যে আগের ১৬টি উপজেলাও রয়েছে।

এবার বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ৬ লাখ টন ধান ও সাড়ে ১১ লাখ টন চাল (আতপ ও সিদ্ধ) কিনবে সরকার। এর মধ্যে মিলারদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ১০ লাখ টন চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে দেড় লাখ টন আতপ চাল ও কৃষকদের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে ধান কেনা হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, চলতি বোরো মৌসুমে ২২টি উপজেলায় ‘ডিজিটাল খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা ও কৃষকের অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করার অনুমোদন দেয়া হল। উপজেলাগুলো হল : সাভার, গাজীপুর সদর, নরসিংদী সদর, মানিকগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ সদর, রাজবাড়ী সদর, টাঙ্গাইল সদর, ময়মনসিংহ সদর, জামালপুর সদর, শেরপুর সদর, ভোলা সদর, নওগাঁ সদর, বগুড়া সদর, রংপুর সদর, দিনাজপুর সদর, ঝিনাইদহ সদর, যশোর সদর, হবিগঞ্জ সদর, মৌলভীবাজার সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও বরিশাল সদর।

চিঠিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সংগ্রহ কার্যক্রমে কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন ও ধান সরবরাহের আবেদনের সময়সীমা ৭ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হল। স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় অ্যাপের মাধ্যমে ধান কেনা যৌক্তিক মনে না হলে বা করোনাভাইরাস সংক্রমণের তীব্রতা যদি এতে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটি এ বিষয়ে বিদ্যমান নীতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

জানা গেছে, কৃষক তথ্য দিয়ে প্রথমে নিবন্ধন করবে। এরপর ধান বিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ডেটাবেজে জমা হবে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নেতৃত্বে উপজেলা কমিটি আবেদনকারীদের মধ্যে লটারি করবে। লটারির মাধ্যমে যেসব কৃষক নির্বাচিত হয়ে যাবে, তাদের অনলাইনেই বরাদ্দ দিয়ে দেয়া হবে। কৃষক এসব বিষয়ে এসএমএস পাবেন।

এএইচ


oranjee