ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ১২ চৈত্র ১৪২৬

 
 
 
 

কর্মদিবস কমিয়ে আনার পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২০

সংগৃহীত ছবি

কভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে কর্মস্থলে কী ধরনের প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন বা কর্মীদের করণীয় কী সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এমনকি প্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারীদের করণীয় কী সে বিষয়ও তুলে ধরেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, কর্মদিবস কমিয়ে আনতে হবে। কর্মস্থল পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ডেস্ক, টেবিল, টেলিফোন, কি-বোর্ড ইত্যাদি জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। এর কারণ, ভাইরাস রয়েছে এমন স্থান ও সামগ্রীর স্পর্শে আসা কর্মীর মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কর্মীদের পাশাপাশি অফিসে আসা অন্য ব্যক্তিদের ভালোভাবে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে বলেছে ডব্লিউএইচও। অফিসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মজুত রাখতে হবে জীবাণুনাশক এবং হাত ধোয়ার সামগ্রী। এ ছাড়াও কভিড-১৯ মোকাবিলায় হাত ধোয়াসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধির পোস্টার প্রদর্শনের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। সেই সাথে নিশ্চিত করতে হবে মাস্ক ও টিস্যু পেপারের বিষয়টি।

জরুরি না হলে অফিসের বৈঠকসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। বৈঠক অংশগ্রহণকারী যে কোনো ব্যক্তি নিজের অজান্তেই হয়তো ভাইরাসটি বয়ে আনতে পারেন। মুখোমুখি বৈঠক এড়িয়ে টেলিফোন কনফারেন্স বা অনলাইনে তা করা যায় কি না সেটি বিবেচনায় নেয়ার কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বৈঠকে উপস্থিত কেউ শুষ্ক কাশি, জ্বর ও অসুস্থতা বোধ করলে তার বিষয়ে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো বা বাসায় রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

মুখোমুখি বৈঠক এড়িয়ে টেলিফোন কনফারেন্স বা অনলাইনে করা যেতে পারে। আর ডেস্ক, টেবিল, টেলিফোন ও কিবোর্ড ইত্যাদি জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের সবার নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা অন্তত এক মাসের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এর ফলে বৈঠক বা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর যদি শোনা যায় কেউ কভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, তাহলে ওই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ঝুঁকিতে থাকা অন্যদের শনাক্ত করতে সুবিধা হবে।

যে কোনো ধরণের ঝুঁকি এড়াতে কর্মীদের কভিড-১৯ সংক্রমিত এলাকায় যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। ভ্রমণের সময় সঙ্গে সঙ্গে জীবাণুনাশক রাখতে হবে। হাঁচি বা কাশি দেয়া ব্যক্তিদের থেকে অন্তত এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া এলাকা থেকে আসার পর কর্মীদের ১৪ দিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার। একই সঙ্গে সাধারণ কিছু লক্ষণ দেখা দিলে কর্মীকে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে।

এমএস


oranjee