ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ | ১১ মাঘ ১৪২৫

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • অর্থ আত্মসাত: সোনালী ব্যাংকের ৮ কর্মকর্তার কারাদণ্ড
  • ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটে অচল ছাগলনাইয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তহাট
  • ফেনীতে বিসিএস ক্যাডার ও ব্যবসায়ী ছেলের অবহেলায় বৃদ্ধা মা মৃত্যুর মুখে
  • তিন ঘন্টা পর জাতীয় জুট মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
  • কুমিল্লার মামলায় খালেদার আবেদন ৪ ফেব্রুয়ারি নিষ্পত্তির নির্দেশ
  • নওগাঁয় ‘বিলুপ্ত’ নীলগাই
  • দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর প্রায় ১ কিলোমিটার

পাবনায় মরা নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রি: হুমকির মুখে কৃষি জমি

গ্লোবালটিভিবিডি ৩:৪৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৪, ২০১৯

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের সুতার বিল নামক মরা নদীর পাড় কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং কৃষি ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের সুতার বিল নদীর পাড় কেটে অন্যত্র মাটি বিক্রি করছেন একই ইউনিয়নের জুমাইখিরি গ্রামের একজন মাটি ব্যবসায়ী, এ কারণে ওই এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং কৃষি ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে।

এ ব্যাপারে কয়রাবাড়ী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ চাষি আব্দুল মালেক বাদশা জানান, নদীর পাড় কাটার ফলে কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ এ এলাকার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। একই সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে। তিনি জানান, এলাকার কয়েক শ’ একর ফসলি জমির সুতার বিল নদী গর্তে বিলীন হয়ে কৃষি উৎপাদনের অনুপযোগী হয়ে যাবে। ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধ এবং দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিবেশ বিপর্যয় এবং পাট, পিঁয়াজ, রসুন, গমসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে।

এলাকার ভুক্তভোগী কৃষক আবু তালেব বিশ্বাস, শামসুল প্রাং, তোফাজ্জল হোসেন জানান, কয়রাবাড়ী, পাঠেশ্বর, ডেঙ্গারগ্রাম, জুমাইখিরি গ্রামের গ্রায় ৮-১০ হাজার লোকের বসবাস। সুতার বিল পাড়ে তাদের কয়েক শ’ একর ফসলি জমি রয়েছে। ঐ এলাকার প্রভাবশালী ৮-১০ জন মিলে ভেকু দিয়ে সুতার বিলের দুই পাড়ের মাটি রাতের আধারে কেটে সাবাড় করছে। যার ফলে এখানকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এই বিলের পাড় না থাকলে এ ফসলি জমিতে কচুরিপানাসহ বিভিন্ন আবর্জনা ঢুকে পড়বে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হবে। বন্যা আসার সঙ্গে সঙ্গে জমি ও জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

তারা আরও জানান, পাট চাষিরা পাটের আঁশ ছাড়ানোর সময় নদীর দুই ধার ব্যবহার করেন। সেটিও আর ব্যবহার করা যাবে না।

এ ব্যাপারে আটঘরিয়া উপজেলার জুমাইখিরি গ্রামের অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান জিয়া ভেকু দিয়ে মাটি কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, তিনি জমির মালিকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্য দিয়ে মাটি কিনে কাটছেন। এতে কারও ক্ষতি হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

এ ব্যাপারে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, ভেকু দিয়ে নদীর পাড়ের মাটি কাটার একটি অভিযোগ পেয়েছি। দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকরাম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পর ভেকু তুলে আনার নির্দেশ দিয়েছি। অভিযোগকারীগণ ক্ষতি পূরণের দাবি করে মামলাও করতে পারেন। ক্ষতি সাধনের যে মামলা হয় সেই আইনে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এআইজে/এমএস


oranjee

আরও খবর :