ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

মেঘনার রাক্ষসী রুপ গিলে খাচ্ছে হাজারো মানুষের বসতভিটা

গ্লোবালটিভিবিডি ৩:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :ঘড়ির কাঁটার সাথে পাল্লা দিয়ে এখানকার মানুষের বসতভিটা ভেঙে নদীতে বিলীন হচ্ছে। সম্প্রতি মাতাব্বরহাট লঞ্চঘাট ঘোষণা করার পরও মেঘনা রাক্ষসী রুপে গিলে খাচ্ছে লাখ লাখ মানুষের বসতভিটা, হাজার হাজার একর ফসলি জমি, শত শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী মসজিদ-মাদ্রাসা-স্কুল-সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। আত্মীয়-স্বজন হারাচ্ছে তাদের বাপ দাদার কবর। যতই দিন যাচ্ছে ততই আগ্রাসী রূপ নিয়ে আসছে নদী। প্রতি মুহূর্তেই বসতভিটা হারিয়ে মানুষ হয়ে পড়ছেন উদ্ধাস্তু, বসতভিটাহীন।অসহায় মানুষের সারি দীর্ঘ হচ্ছে ক্রমান্বয়েই।

এমন ভয়ানক চিত্র লক্ষ্মীপুর জেলা জুড়েই। সদর উপজেলার চর রমনী, রায়পুর উপজেলার চরবংশী, কমলনগরের উপজেলার চরকালকিনি, সাহেবের হাট, চরফলকনের লুধুয়া, মাতাব্বরহাট, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে। লক্ষ্মীপুর ছোটো হয়ে আসছে। স্থানীয় রাজনীতিবিদদের এদিকে দৃষ্টি নেই। তবে এতদ অঞ্চলের মানুষের কান্না দেখে রামগতি-কমলনগরে সাংসদ মেজর আব্দুল মান্নান এর বিশেষ উদ্যোগে সম্প্রতি তিন কোটি টাকার কাজ শুরু হয়েছে। মেঘনার প্রবল স্রোতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ গুলো টিকছে না বলেও কর্মরত শ্রমিকরা জানান।

এক বুক হাহাকার নিয়ে নদীভাঙ্গা মানুষেরা বলেন 'তবে কি লক্ষীপুর বলে কোন জেলা থাকবেনা?'যেখানে নদীতে হাজার হাজার একর জমি নিয়ে চর ভেসে উঠে,সেখানে সেকেন্ডের সাথে পাল্লা দিয়ে ভেঙে যাচ্ছে লক্ষ্মীপুর। ছিঁড়ে যাচ্ছে মানচিত্র। রাজনৈতিক নেতাদের উদাসীনতার জন্যই ইতিহাসে চলে যাচ্ছে লক্ষ্মীপুর নামক এত সুন্দর ঐতিহ্যবাহী জেলা।

নদীভাঙ্গা মানুষ স্থানীয়, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য,নদীভাঙ্গা দেখতে আসা পর্যটকসহ আরো কথা বলেছি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী ফারুক আহমেদের সাথে। আমরা লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরফলকনের লুধুয়া এলাকা থেকে খণ্ড চিত্র ধারণ করেছি। সম্প্রতি নদী ভাঙ্গা থেকে রেহাই পাওয়ার আশায় এখানে শত শত হাজিদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

আরকে


oranjee