ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯ | ৬ ভাদ্র ১৪২৬

 
 
 
 

পাবনা শহরের ৩ স্থানে ডেঙ্গু মশার প্রজননক্ষেত্র সনাক্ত

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:০৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৮, ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা শহরের ৩০ স্থানে ডেঙ্গু সনাক্তকরণ অভিযান চালিয়ে ৩ স্থানে ডেঙ্গু মশার প্রজননক্ষেত্র সনাক্ত করা গেছে। কিন্ত প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে পুরো জেলায় এই অভিযান চালনো ব্যাহত হচ্ছে। জেলায় একজন কীটতত্ববিদ এর নেতৃত্বে তার ২ জন সহকারি ডেঙ্গু মশার প্রজননক্ষেত্র সনাক্তসহ তা ধ্বংসকরন অভিযান চালাতে গিয়ে হিমিশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বৃহস্পতিবার ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে এক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল একথা জানান। সভায় জানানো হয়, গত এক সপ্তাহে পাবনা শহরের কেন্দ্রীয় বাস-ট্রাক টার্মিনাল ও বিআরটিসি ডিপোসহ ৩ স্থানে ডেঙ্গু মশার প্রজননক্ষেত্র সনাক্ত করা হয়। ওইসব প্রজনন ক্ষেত্র থেকে এডিস মশার ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে এগুলো ধ্বংসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সভায় সিভিল সার্জন ছাড়াও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. কেএম আবু জাফর, কীটতত্ববিদ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভায় জানানো হয়, পাবনায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে গ্রামাঞ্চলেও। গত ২৪ ঘন্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার ২টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন করে ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বেড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৬ জন এবং ফরিদপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

পাবনা জেনারেল হাসাপাতালে এখনো চিকিসাধীন রয়েছেন ৪৮ জন। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫৩ জন। এখন প্রয়োজন পুরো জেলায় ডেঙ্গু মশার প্রজননক্ষেত্র সনাক্তকরণ এবং তা ধ্বংস করা। কীটতত্ববিদ হেলাল উদ্দিন জানান, এজন্য যে জনবল প্রয়োজন তা তাদের নেই। তবুও তারা সীমিত সাধ্যের মধ্যেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করছেন।

এদিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ, পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম, প্রমুখ।


আরকে


oranjee