ঢাকা, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

 
 
 
 

চরভৈরবীতে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙরে বেড়ি বাঁধ হুমকির মুখে

গ্লোবালটিভিবিডি ৩:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০১৯

সংগৃহীত ছবি

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুর হাইমচর উপজেলার ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়নের আমতলি এলাকায় মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। মেঘনার আকস্মিক ভাঙ্গনে মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ নদীর পাড় সংলগ্ন বসতবাড়ি এবং ভাঙন রক্ষাবাঁধ রয়েছে হুমকির মুখে।

মেঘনার ভাঙনের সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু রায়হান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌসী বেগম নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। মসজিদসহ বাঁধ রক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন কবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ফেলা হয়।

স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু রায়হান বলেন, আপনাদের সেবা করাই আমাদের কাজ। আপনাদের বসতভিটা, মসজিদ, জায়গা-জমিন নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাবে, তা আমরা হতে দিতে পারি না। আমি সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে চলে এসেছি। খুব দ্রুত জিও ব্যাগের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন থেকে আপনাদের এই এলাকাকে রক্ষা করার চেষ্টা করবো। খুব সহসাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগযোগ করে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ করা হবে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারমান নূর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, আমি বুধবার রাতে নদী ভাঙনের সংবাদটি পেয়েছি। রাতেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে এসেছি। যতদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকবে, যতদিন ডাঃ দীপু মনি এমপি থাকবেন ততদিন হাইমচরে সর্বনাশা মেঘনায় আর কেউ বসতভিটা হারাবেন না ইনশাআল্লাহ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌসী বেগম বলেন, ভাঙনকৃত এলাকাটি আমি পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের অতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে নির্দেশনা দিয়েছি।

ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ আলী মাস্টার জানান, গত ক'দিন ধরে হঠাৎ করে আমার এলাকায় মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারের স্থায়ী প্রকল্প ভাঙন রক্ষা বাঁধ চরম হুমকির মুখে রয়েছে। আর একদিন অতিবাহিত হলে স্থানীয় মসজিদটি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতো। আমি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানালে কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে এসে তাৎক্ষণিক পাউবোর জিও ব্যাগ ফেলে মসজিদটি রক্ষা করেন।

পরে চরভৈরবী ইউনিয়নের জালিয়ার চরে নদী ভাঙ্গনকৃত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন ও হাইমচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী।

এসএ/এমএস


oranjee