ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

 
 
 
 

এত অভিযান তবুও অগ্রগতি নেই

ম্যাজিস্ট্রেট দেখলে দাম কমে: চলে গেলে বেড়ে যায় 

গ্লোবালটিভিবিডি ৪:০১ অপরাহ্ণ, মে ২০, ২০১৯

জসীম উদ্দীনঃকক্সবাজার : রমজানের শুরু থেকে সারাদেশের মত কক্সবাজারের দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি  ও খাদ্যে ভেজাল ঠেকাতে তৎপর রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। প্রতিদিন বিভিন্ন বাজার ও মার্কেটে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে  অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করার পরও ঠেকানো যাচ্ছেনা অসাধু ব্যবসায়ীদের তৎপরতা।
 
এতে করে পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্রের দাম কেজিতে ৫থেকে দশ টাকা,আবার অনেক পণ্যের দাম কেজিতে
১৫থেকে ২০টাকা পর্যন্ত বাড়তি নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। প্রশাসন কতৃক নির্ধারিত মূল্য ঝুলানো হলেও তা মানা হচ্ছেনা।
 
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মূল্যতালিকায় চিনির দাম ৫২টাকা নির্ধারণ করা দেয়া হয়েছে।তবে দোকানিরা চিনি বিক্রি করছেন ৫৫ টাকা থেকে ৬০ করে। রুশন পেয়াজ,সয়াবিন তেলসহ প্রায় সব পণ্যেরই একই অবস্থা।
 
অপর দিকে কাঁচা বাজার যেন মগেরমুল্লুক।প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি করছে ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা আর শশা ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০,করলা ৬০,মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০, ঝিঙ্গা ৩০ থেকে ৪০, ঢেড়ঁস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ ও সবজি কলা প্রতি পিস ১০ থেকে ১৫টাকা।
 
এমনিতেই স্বস্থি নেই মাছ বাজারে।তার উপরে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে বন্ধ থাকবে মাছ ধরা।৬৫ দিনের এ নিষেধাজ্ঞাকে ‘মাছ আহরণের ছুটি’ হিসেবে ভাবতে মৎস্যজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।এটিকে পুঁজি করে মাছ বাজারে এখন থেকে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
 
কক্সবাজার শহরের বড় বাজার ও উপজেলা মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায় ,ফুলপোয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫শ থেকে ৮শ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ১৮০থেকে ২২০টাকা, রুই মাছ প্রতি কেজি ২৮০থেকে শ টাকা, কাতলা ২৮০থেকে সাড়ে ৩০০টাকা, পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২শ টাকা।চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০থেকে সাড়ে ৫০০টাকা।এখানে যা কয়েকদিনের ভিতরে  আরো বাড়তে পারে ধারণা ব্যবসায়ীদের।
 
খবর নিয়ে জানা যায়, 
কক্সবাজারের  চকরিয়া,পেকুয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, উখিয়া, টেকনাফ, সব জায়গাই একেই অবস্থা। সব খানেই অসাধু ব্যবসায়ীদের জয় জয়কার।
 
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এএসএম মাসুম উদ দৌল্লাহ জানান, যখন যেখানে খবর পাচ্ছি বাড়তি টাকা আদায় ও খাদ্যে ভেজাল মিশানো হচ্ছে,অথবা মেয়াদ উর্ত্তীণ পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে সেখানে ছুঁটে যাচ্ছি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। 
 
জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে জানানো হয়, প্রত্যেক উপজেলা যে সকল বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীদের তৎপরতা রয়েছে সেখানেই অভিযান চলমাণ রয়েছে সামনেও থাকবে।
 
জেইউজি/আরকে
 
 
 
 

oranjee