ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • টিসিবির পণ্য বিক্রিতে ডিলারদের অনাগ্রহ
  • রাজশাহীর পুঠিয়ায় ধান, গম ও চাউল সংগ্রহ অভিযানের উদ্ধোধন 
  • জমতে শুরু করেছে কুষ্টিয়ার ঈদ বাজার
  • দাম না পেয়ে হতাশ কৃষক : শ্রমের ফসল মিশিয়ে দিলেন জমিতেই
  • কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু
  • হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পণ্য
  • বাংলা টিভির ৩য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ শুরু, আমও নামছে আজ

গ্লোবালটিভিবিডি ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৯


রাজশাহী প্রতিনিধি : প্রকৃতিতে দেশীয় রসালো ফলের সমারোহের বার্তা দেয়া বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরু আজ। মধুমাসের শুরুতেই আজ বুধবার রাজশাহীর গাছ থেকে নামবে আম। প্রশাসনের বেধে দেয়া সময় মতে, আজ থেকে পর্যায়ক্রমে সাত ধাপে বিভিন্ন জাতের আম গাছ থেকে নামানো যাবে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, দফায় দফায় কালবৈশাখী আর শিলাবৃষ্টিতে এবার রাজশাহীতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে গাছে গাছে এখনও প্রচুর আম ঝুলে আছে। তা দিয়েই দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এদিকে জৈষ্ঠ্যর আগমন মানেই বাজারে রসালো ফল। চারদিকে এখন দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের মাতোয়ারা সৌরভ। দেশবাসীকে বিষমুক্ত আম দিতে গেলো তিন বছর ধরে গাছ থেকে আম ভাঙার জন্য সময় বেঁধে দিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

এবার জ্যৈষ্ঠর আগেই পরিপক্ব হয়ে আজ গাছ থেকে ঝুড়িতে নামছে রাজশাহীর আম। অবশ্য এগুলো হবে গুটি জাতের আম। উন্নতজাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, রাণীপছন্দ ২৫ মে, খিরসাপাত বা হিমসাগর ২৮ মে এবং লক্ষণভোগ বা লখনা নামানো যাবে ২৬ মে থেকে। এছাড়া ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আম্রপালি ও ফজলি ১৬ জুন থেকে নামানো যাবে। আর সবার শেষে ১৭ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা জাতের আম।

আজ বুধবার সকালে রাজশাহী জেলার সবচেয়ে বৃহত্তম আমের হাটে প্রথম দিনে আম চাষীরা আম বাজারে এনেছে কম। কারণ হিসাবে বলছে, সরকারী বেধে দেওয়া সময় হিসাবে শুধু আটির আম উঠেছে। তাই বাজারে কম আম উঠেছে।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন বলেন, গুটি আম প্রতিবছরই একটু আগে পাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাই অনেকে এখন গুটি আম নামাতে শুরু করবেন। এছাড়া জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়ার সময় অনুযায়ী সাত দফায় আম নামাতে পারবেন। এতে ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শামসুল হক বলেন, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তাপদাহ কেটে গেলে আর নতুন কোনো প্রকৃতিক দুর্যোগ না এলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো সমস্যা হবে না।

বিজি/আরকে

 

 

 


oranjee