ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ | ৬ বৈশাখ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • নুসরাত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৮ জনই গ্রেফতার
  • ফেনীর সোনাগাজীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণ: গ্রেফতার ২
  • কক্সবাজারে দুদকের গণশুনানী শুরু
  • দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় বাবা ও মেয়েসহ নিহত ৩
  • চট্টগ্রামে চলন্ত প্রাইভেটকারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ
  • রামু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নে কোটি টাকার হদিস নেই!
  • নুসরাত হত্যা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আবদুর রহমান শরিফের

কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

গ্লোবালটিভিবিডি ২:৫৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০১৯

সংগৃহীত ছবি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : মালিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতায় বন্ধ হয়ে গেছে কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী নৌ- রুটের লঞ্চ চলাচল। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে এই রুটে চলাচলকারী কয়েক হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকারী ব্যবসায়ীরা। কবে নাগাদ এ রুটে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হবে তা জানাতে পারেনি বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ এবং লঞ্চ মালিকরা।

লঞ্চ মালিক ও বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, চারদিকে নদী বেষ্টিত উপজেলা রাঙ্গাবালির পাঁচটি দ্বীপ ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নদী পথে লঞ্চ চলাচল। দীর্ঘ দিন ধরে কলাপাড়া-নিজকাটা রুটে তানভীরের মালিকানাধীন সাইফান নামের একটি লঞ্চ চলাচল করত। পরবর্তীতে যাত্রীদের চাহিদার বিপরীতে এমএল মিলন এক্সপ্রেস ও এমএল রাহাত নামের আরও দুইটি লঞ্চ যুক্ত হয়। প্রতিদিন কলাপাড়া থেকে সাইফান সকাল সাড়ে সাতটায়, এম.এল মিলন এক্সপ্রেস সকাল সাড়ে আটটায় এবং এম.এল রাহাত বেলা একটায় রাঙ্গাবালির নিজকাটা ছেড়ে যেত। কিন্তু গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকালে বিআইডব্লিউটির নির্ধারিত সময় ও নির্দিষ্ট নিময়-কানুন নিয়ে মালিকপক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় এ রুটের লঞ্চ চলাচল। চলমান এ অচলাবস্থার নিরসন না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে স্পীড বোড অথবা মাছ ধরার ট্রলারে যাতায়াতসহ পণ্য পরিবহন করছে কয়েক হাজার মানুষ ।

লঞ্চের জন্য ঘাটে স্ব-পরিবারে অপেক্ষামান যাত্রী সাইদ ফকির বলেন, ঢাকা থেকে স্ব-পরিবারে এসে দেখি লঞ্চ চলাচল বন্ধ।

যাত্রী রাসেল মিয়া বলেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে স্পীড বোডে চলাচল করতে হচ্ছে।

নিজকাটা এলাকার মুদী ব্যবসায়ী মিঠু হাওলাদার বলেন, চরম ঝুঁকি নিয়ে ছোট নৌযানে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে পণ্য পরিবহন করতে বাধ্য হচ্ছি।

সাইফানের মালিক তানভির মুন্সী বলেন, এ রুট চালু করতে গিয়ে গত সাড়ে তিন বছরে কয়েক লক্ষ টাকা লোকসান গুনেছি। রুটটি জমজমাট হয়ে ওঠার পরে অন্য দুটির মালিক সাবু গাজী ও এমাদুল আমার লঞ্চটির রুট পারমিট বাতিলের জন্য উঠে পরে লেগেছে।

এম.এল মিলন এক্সপ্রেসের মালিক সাবু গাজী বলেন, সাইফান নামের লঞ্চটি কোন পারমিট ছাড়াই দীর্ঘদিন এ রুটে চলাচল করছে।

পটুয়াখালী বিআউডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক(বন্দর ও পরিবহন) খাজা সাদিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে অশান্ত মৌসুম থাকায় ছোট আকারের লঞ্চ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যমান এ সমস্যার সমাধান কবে নাগাদ হবে তা নিশ্চত করে বলা যাচ্ছে না।

এমআই/এমএস


oranjee