ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯ | ৬ বৈশাখ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • নুসরাত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৮ জনই গ্রেফতার
  • ফেনীর সোনাগাজীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণ: গ্রেফতার ২
  • কক্সবাজারে দুদকের গণশুনানী শুরু
  • দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় বাবা ও মেয়েসহ নিহত ৩
  • চট্টগ্রামে চলন্ত প্রাইভেটকারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ
  • রামু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নে কোটি টাকার হদিস নেই!
  • নুসরাত হত্যা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আবদুর রহমান শরিফের

আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে কুষ্টিয়ায় দেড় শতাধিক মাদক বিক্রেতা

গ্লোবালটিভিবিডি ১:৫৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০১৯

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া জেলার তালিকাভুক্ত দুজন শীর্ষ মাদক বিক্রেতা কিছুদিন আগে ক্রসফায়ারে মারা গেছে। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে গেছে বেশ কয়েকজন মাদক বিক্রেতা। এসব মাদক বিক্রেতারা এতদিন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে ছিল। তবে কিছুদিন আগে যোগদান করা পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাতের হুশিয়ারিতে এবং জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে বদলে গেছে কুষ্টিয়ায় আগের সেই প্রেক্ষাপট।

মাদক বিক্রেতাদের আগের যে সিন্ডিকেট ছিল সেটাও এখন আর সক্রিয় নেই। তালিকাভুক্ত তিন শতাধিক মাদক বিক্রেতার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মাদক বিক্রেতা আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছে বলে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

জেলার দেড় শতাধিক মাদক বিক্রেতা খুব শিগগিরই আত্মসমর্পণ করবে। এসব মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের পুনর্বাসনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আর যারা আত্মসমর্পণ করবে না তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা পুলিশ।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত পিপিএম (বার) বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ও নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা পুলিশ মাদক নির্মূলে কাজ করছে। এ জেলায় কোনো মাদক থাকবে না। পুলিশের কেউ মাদকের সাথে জড়িত থাকলে তার পরিণতিও হবে ভয়াবহ। আমরা মাদক বিক্রেতাদের ভালো হবার সুযোগ দিতে চাই। তারা যদি আত্মসমর্পণ করে তাহলে ভালো। তাদের আমরা সহযোগিতা করবো। আর যদি তারা আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে।

তবে কবে কোথায় আত্মসমর্পণ করবে এসব মাদক বিক্রেতারা তা এখনও জানায়নি কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন বলেন, কুষ্টিয়া জেলায় বড় একটি অংশ সীমান্ত এলাকা। সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনোভাবে মাদক প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে। বিজিবির সঙ্গে অন্যান্য বাহিনীকে নিয়ে মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।


কেএমআই/এমএস


oranjee