ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১ আশ্বিন ১৪২৬

 
 
 
 

নীরব সমুদ্রসৈকত বোঝার উপায় নেই আর আজ থার্টি ফাস্ট নাইট

গ্লোবালটিভিবিডি ৯:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮

নির্বাচনের জন্য নানা বিধি-নিষেধ থাকায় এবছর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে থার্টি ফাস্ট নাইট পালন হচ্ছে না। তাই সমুদ্র সৈকতও ফাঁকা। ছবি: জসিম উদ্দিন জিহাদ

জসিম উদ্দিন জিহাদ: এবারে-ই প্রথম পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের বছরের শেষ সূর্যটা কোনো আয়োজন ছাড়াই হাতেগোনা দর্শনার্থীদের করতালিতে বিদায় নিয়েছে। 

রোববার (৩০ডিসেম্বর) শেষ হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রভাবে অন্যান্য বছরের মত লাখো মানুষের উপস্থিতির সুযোগ না থাকায় এর ব্যাপক প্রভাবের কারণে কক্সবাজার একধরনের জনশূন্য বলা যায়।

তবে এদিন বিকাল না হতেই সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের ৬টি পয়েন্টেই ভিড় করেন উপস্থিত দর্শনার্থীরা। পুরনো বছরের সব ব্যর্থতা-গ্লানি এই সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে বিদায় নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। সেই সঙ্গে নতুন বছর শুরু হবে নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা নিয়ে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

এদিকে, কিছুসংখ্যক পর্যটক উপস্থিতি থাকলেও নির্বাচন পরবর্তী নানান বিধি-নিষেধের কারণে এবার থার্টি ফাস্ট নাইট উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে না।

সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা মানুষের সংখ্য ছিল একদমই নগন্য

তারপররেও আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় হোটেল মোটেল জোন, প্রধান সড়ক ও সৈকত এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও পুরো শহর সিসিটিভির আওতায় থাকায় কক্সবাজার এখন অনেকটা নিরাপদ। ফলে বেড়াতে আসা পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দে কক্সবাজার ঘুরতে পারবেন।

দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত কয়েকজন পর্যটকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা মনে করেছিলেন প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও কক্সবাজার সৈকত পাড়ে উৎসব মুখর পরিবেশে থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপিত হবে। তাই তাদের এত কষ্ট করে আসা ও থাকা।

তবে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, এবছর নির্বাচনের কারণে আয়োজন বা নাচগানের কোন সুযোগ নাই। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কক্সবাজার জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এসএনএ


oranjee