ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

 
 
 
 

প্রথম সেমিতে আজ ভারতের মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড

গ্লোবালটিভিবিডি ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ০৯, ২০১৯

ছবি সংগৃহীত

লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অস্ট্রেলিয়া হারার আগ পর্যন্ত ধরে নেয়া হয়েছিল, সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ হবে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। সেখানে ফর্ম হারানো নিউজিল্যান্ডকে সেমিতে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়ে ভারত আগে থেকেই যেন ফাইনালে খেলার প্রহর গুনছে!

ফুটবলের শহর ম্যানচেস্টারে উপমহাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বকাপে টিকে থাকা ভারত আজ পরিষ্কার ফেভারিট। ওল্ড ট্রাফোর্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আসরের প্রথম সেমিফাইনালে আজ মঙ্গলবার গতবারের রানার্সআপ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি ভারত।

ঘুরেফিরে ফেভারিটের তালিকায় ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। চতুর্থ দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে নিউজিল্যান্ডের নাম। শেষ পর্যন্ত চার ফেভারিটই পেয়েছে শেষ চারের টিকিট।

অন্যদিকে আইসিসির সব টুর্নামেন্টেই নিউজিল্যান্ডকে বলা হয় কালো ঘোড়া। তাদের দৌড়ের সীমাটা ধরা হয় সেমিফাইনাল পর্যন্ত। সেই গেরো খুলে গত আসরে তারা ফাইনালে খেলেছে।

এবার শুরুতে তারা প্রথম চার ম্যাচে জিতেছিল। শুরুর দাপুটে জয়গুলোই রানরেটে এগিয়ে দেয় কিউইদের। সেই সুবাদেই সেমিফাইনালে উঠেছে তারা। তা না হলে আজ ভারতের প্রতিপক্ষ হতো পাকিস্তান!

বিরাট কোহলি বলেন, ‘দল খুবই উজ্জীবিত। সবাই ফুরফুরে মেজাজে আছে ও আত্মবিশ্বাসী। আগামীকাল (আজ) আরও ভালো একটি দিনের অপেক্ষা করছে সবাই।’

ভারতের আত্মবিশ্বাস যতই উঁচুতে থাকুক না কেন বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। এখন পর্যন্ত দু’দল আটবার মুখোমুখি হয়েছে। নিউজিল্যান্ড চারবার ও ভারত জিতেছে তিনটি ম্যাচ। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। সেটাও এই বিশ্বকাপে। সব মিলিয়ে ভারত সাতবার সেমিফাইনালে উঠেছে, নিউজিল্যান্ড আটবার।

বিশ্বকাপে সর্বশেষ দু’দলের মাঠের লড়াইটা হয়েছে ২০০৩ আসরে। এবার লিগপর্বের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় পরস্পরের শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কে তারা জানতে পারেনি। আজও ম্যানচেস্টারের আকাশে মেঘ থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

শ্রীলংকার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে পেসার মোহাম্মদ সামিকে বিশ্রামে রেখেছিল ভারত। আজ তার ফেরার সম্ভাবনা আছে। জাসপ্রিত বুহরাহর নেতৃত্বে ভারতের বোলিং আক্রমণই কিউইদের জন্য বড় ভয়ের কারণ। ভারতের ব্যাটিং বরাবরই শক্তিশালী।

বিশ্বকাপের এক আসরে শচীন টেন্ডুলকারের সবচেয়ে বেশি ৬৭৩ রানের রেকর্ড ভাঙতে আর ২৭ রান দরকার রোহিতের। একই সঙ্গে দারুণ ধারাবাহিক বিরাট কোহলিও। সেঞ্চুরি না পেলেও তিনি রান পাচ্ছেন প্রতি ম্যাচেই। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ওপেনার মার্টিন গাপটিল মোটেও রানের মধ্যে নেই। ধারাবাহিক কেন উইলিয়ামসনকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে।

  এএইচ


oranjee