ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ | ৯ চৈত্র ১৪২৫

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • ডাকসুর ভিপি হিসেবে নুরের আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণ
  • আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের সেই মসজিদ
  • ডাকসু নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন
  • রঙ রসিয়া নাচে মধুরও ফাগুনে
  • নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
  • বুধবার দেশব্যাপী ক্লাস বর্জনের আহ্বান শিক্ষার্থীদের
  • শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আঘাত করা হলে দাঁতভাঙা জবাব: ভিপি নুর

আওয়ামী লীগের জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো না

অনুরূপ আইচ ১:০৬ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ০৭, ২০১৯

সাম্যবাদের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানের উন্নত চিন্তার রাজনৈতিক নেতারা গঠন করেছিলেন আওয়ামী মুসলিম লীগ নামের একটি রাজনৈতিক সংগঠন। পরবর্তীতে যার নাম রাখা হয়েছিল আওয়ামী লীগ। সেই সময়ই আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতাদের লক্ষ্য ছিল, সাম্প্রদায়িকতাহীন রাজনীতি করে দেশকে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার। পাকিস্তান আমলে এমন একটি স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে চলার সাহসটাই তো এখনো করতে পারেন না মুসলিম অধ্যুষিত কোনো রাষ্ট্রের নেতারা।

পাকিস্তান আমলে সাম্প্রদায়িক তথা ‘মুসলিম’ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে সংসদ সদস্য হওয়া বেশ দূরূহ ছিল। কারণ, ধর্মের ভিত্তিতে জন্ম নেয়া পাকিস্তানের বেশিরভাগ ভোটার ছিলেন ধরমভীরু বা ধর্মপ্রাণ। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের মাঝে যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন ছিল না। তাদের স্বপ্ন ছিল, একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে দেশের সব মানুষের কল্যাণ করে রাজনীতি করার।   

পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগ গঠন করেছিলেন যারা তাদের অন্যতম ছিলেন শেখ মুজিবর রহমান। কয়েকবছর পরে এই দলের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন শেখ মুজিব। সেই সময়ে শুধু পূর্ব পাকিস্তান নয়, পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণের মাঝেও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বীজ বপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন আমাদের শেখ মুজিব। এতেই হয়ত ভীত হয়ে পড়েছিলো তৎকালীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রনায়কেরা বা তাদের অনুসারীরা। তারা ধীরে ধীরে শেখ মুজিব তথা আওয়ামী লীগ তথা বাঙালিদেরকে কোণঠাসা করার জন্যে ব্যাকুল হয়ে ওঠে। পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র নায়কেরা পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষকে তথাকথিত চতুর্থ শ্রেণীর মানুষের ন্যায় আচরণ শুরু করে দিয়েছিল। শুধুমাত্র রাজনীতিতে নয়, যে কোনো সরকারি চাকুরি, ব্যাবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে খেলাধুলার অঙ্গনেও বাঙালিদের অগ্রাধিকার কমানো শুরু করেছিল নির্লজ্জের মতো। এতে করে ভেতরে ভেতরে ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষ। অবশ্য তখনো পশ্চিম পাকিস্তানের কিছু সংখ্যক মানুষ ছিল পাকিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা তৎকালীন সরকারি দল বা রাষ্ট্রনায়কের দালালজাতীয় সুবিধাভোগী তল্পিবাহক। তারাই পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারগিরি তথা জঘণ্য যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত ছিল।

অন্যদিকে শেখ মুজিবের জনপ্রিয়তা এতই আকাশচুম্বী হয়ে গিয়েছিল- যে কারণে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়। এরপরে আসল রূপ বেড়িয়ে আসে পশ্চিম পাকিস্তানিদের। তারা জনগণের রায়ে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ তথা শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রনায়ক হতে না দেয়ার জন্যে উঠেপড়ে লেগে যায়। তাদের শয়তানী হৃদয়ে অপ্রকাশ্য ‘বাঙালি ঠেকাও’ স্লোগানই যেন ধারণ করে পূর্ব পাকিস্তানের নিরানব্বই শতাংশ রাজনৈতিক নেতারা একাত্মা হয়ে গেল। প্রকাশ্যে তারা নানান ছলচাতুরী করা শুরু করলো। এক পর্যায়ে তারা প্রস্তাব দিলো, শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বানাবেন ঠিকই- তবে আওয়ামী লীগ এককভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবে না। আপোষহীন নির্লোভ শেখ মুজিব পাত্তাই দিলেন না ওদের এই ফালতু প্রস্তাবে। ততদিনে পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণ পুরোপুরি বুঝে গিয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানিদের ধান্দা। আর শেখ মুজিব হয়ে উঠেছিলেন বাঙালিদের প্রাণপ্রিয় আপোষহীন নেতা। পরবর্তীতে শেখ মুজিব আওয়ামী লীগের নেতা থেকে হয়ে যান সাত কোটি বাঙারির ‘বঙ্গবন্ধু’।

পাকিস্তানিদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এই বাংলার জনগণের তখন একটাই দাবি উঠেছিলো, ‘আমরা আর পাকিস্তানের সাথে থাকবো না। বঙ্গবন্ধু- আপনি স্বাধিকার আদায়ের ডাক দিন। আমরা আছি আপনার সাথে’। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান তথা এখনকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঐতিহাসিক জনসভায় ডাক দিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের। সেদিন তিনি ঘোষণা দিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম” । সেই ভাষণের সমাপ্তিতে তিনি বলেই দিলেন, “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আর দেবো। তবুও এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ”।

বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণা শুনে মনে হয় তৎকালীন পাকিস্তানিরা অপদার্থ মানুষ বনে গিয়েছিলো। তারা বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা আন্দোলনচ্যুত করতে ৭১ এর ২৫ মার্চ রাতের আঁধারে অতর্কিত হামলা করে গণহত্যা শুরু করে দিয়েছিল এই ভূখণ্ডে। ওই রাতেই তারা বন্দী করে নিয়ে যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে। তারা হয়ত ভেবেছিল, বঙ্গবন্ধুকে বন্দী করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাঙালি নিধন চালালেই বোধ হয় স্বাধীনতার সংগ্রাম থেকে পিছপা হবে বাঙালিরা। কিন্তু ৭ই মার্চের ভাষণে সাত কোটি বাঙালির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু অনুরোধ করে বলে দিয়েছিলেন, “তোমরা প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তা নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তা ঘাট যা যা আছে, সবকিছু- আমি যদি হুকুম দিতে পারি, নাও পারি; তোমরা বন্ধ করে দেবে”।

৭১ এর ২৫ মার্চ রাত থেকে পাকিস্তানিদের অতর্কিত হামলার পরে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা অনুযায়ী এই অঞ্চলের বাঙালিরা স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। একটানা নয় মাস যুদ্ধ করেছেন স্বাধীনতাকামী বাঙালিরা। এই যুদ্ধে বিশ্বের তথাকথিত শক্তিশালী দেশগুলো সব ছিলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের বিরুদ্ধে। তাই তো কষ্ট লাগে, এখন কেউ যদি ওইসব কথিত উন্নত দেশের সঙ্গে তুলনা করে বাংলাদেশকে খাটো করে কথার বলার চেষ্টা করে।

নয় মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালিরা দিনরাত যুদ্ধ করে সেই সময়ের বিশ্বখ্যাত শক্তিশালী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পুরোপুরি কোণঠাসা করেই পরাস্থ করেছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীকে পালানোরও সুযোগ দেয়নি মুক্তিযোদ্ধারা। হাত জোর করে নিজের জীবন বাঁচানোর আকুতি করেছিল তখন বাংলাদেশে যুদ্ধরত সমস্ত পাকিস্তানি সেনারা। অবশেষে ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দুনিয়ার বুকে বাংলাদেশ হলো স্বাধীন। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হয়ে গেলেন বাংলাদেশের জাতির পিতা।

১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এসেছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী ভারতীয় সন্যদের স্বসম্মানে ফেরত পাঠিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বেশিরভাগই পালিয়ে গেলো পাকিস্তান, আমেরিকা, লন্ডনসহ অন্যান্য দেশে। তখন তারা ভেতরে ভেতরে বাংলাদেশকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করে যাচ্ছিলো আমাদের স্বাধীনতাবিরোধী বিদেশি চক্রের সাথে আঁতাত করে। দেশ স্বাধীনের পরে যেসকল লোক দেখানো মুক্তিযোদ্ধারা লুটতরাজ করে রাতারাতি বড় লোক হতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর কারণে পারছিলো না ফায়দা লুটতে তাদেরকেই টার্গেট হিসেবে নিয়েছিলো, তাদেরকেই টার্গেট করেছিলো বাংলাদেশ বিরোধীরা। তাদের অদৃশ্য সহযোগীতায় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে ‘জাসদ’ নামের এক রাজনৈতিক দলের।

যেহেতু দুনিয়াজুড়ে ধান্দা ফিকির করে বড় লোক হওয়ার মানুষরূপী শয়তানের অভাব নেই, তাই তৎকালীন সময়ে জাসদের মিটিং মিছিলেও লোকেরও অভাব পড়েনি। আবার বাংলাদেশবিরোধী রাষ্ট্রগুলোর অদৃশ্য অর্থায়ন তো ছিলই এসব লোকের জন্যে। তাই হয়ত সেই সময় শয়তানরূপী মানুষগুলো ভেবেছিলো, কোনো রকমে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে দিতে পারলেই বুঝি তারা দেশ চালানোর সুযোগ পাবে এবং ইচ্ছেমত করে গোটা বাংলাদেশ লুটেপুটে খেতে পারবে। কিন্তু তখন জাসদ নেতারা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি, জাতির পিতা শেখ মুজিব না থাকলে যে বাংলাদেশে তাদেরও অস্তিত্ব থাকবে না।

১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে স্বপরিবারে খুন করলো বাংলাদেশের শত্রুদের দালাল (বর্তমানে তারা চিহ্নিত) কিছু সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধা নামের শয়তান মানুষ। তারা মুজিব পরিবার ও সে পরিবারের সবাইকে একে একে খুন করলো। শুধুমাত্র বিদেশে অবস্থানের কারণেই বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে যান। এরপর থেকে অরাজকতা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশে।

জাতির পিতা শেখ মুজিব দেশকে ভালোবাসার কারণে খুন হওয়ার বেশ কয়েক বছর পরে তার বড় কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। বাংলাদেশে আসার পর থেকে অনেক বছর পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার কত রকম চেষ্টা যে করেছে দেশবিরোধীরা- তার ইয়াত্তা নেই। তবুও বারেবারে আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি বেঁচে গেছেন। এখন তিনি বাংলাদেশের সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রী। তার নেতৃত্বে শুধু আওয়ামী লীগ নয়, বাংলাদেশ শক্তিশালী হয়েছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশ পরিচালনাকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলো বিশ্বের যেসব দেশ তথাকথিত শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে যাদের স্মরনাপন্ন হত- সেসব দেশও এখন বাংলাদেশকে সমীহ করে চলে শুধুমাত্র আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশপ্রেম ও ব্যাক্তিত্বের কারণে। তাই আমার এই লেখার পাঠকদেরকে বলতে চাই, আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্ম না হলে হয়ত ‘বাংলাদেশ’ নামের রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। আর শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের হাল না ধরলে, হয়তো এই দলের অস্তিত্ব হয়ে যেত বর্তমান বাংলাদেশের মুসলিম লীগের মতো। ঠিক তেমনি শেখ হাসিনা বারেবারে এই দেশের প্রধানমন্ত্রী না হলে বর্তমান বিশ্বের রাজনীতিতে দাপটের সাথে এত গর্ব নিয়ে ভূমিকা রাখতে পারতো না বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগের জন্ম না হলে নয় শত বছরেও ‘বাংলাদেশ’ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হত কিনা সন্দিহান আমি। অথবা আমাদের পরিণতি হতো হয়ত পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের মতো। কাজেই এখনো যারা জঙ্গি মদদ দিয়ে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, জাতির পিতা শেখ মুজিবের মৃত্যুর পরে তৎকালীন জাসদের যে পরিণতি হয়েছিল- আপনাদের ভাগ্যে তার চেয়েও বেশি নির্মমতা লেখা থাকবে। যদিও বর্তমানে জাসদ তাদের অতীতের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি আধুনিক মনস্ক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। বেশির ভাগ ধান্দাবাজদেরকে দল থেকে বিতাড়িত করে জাসদের জনপ্রিয় নেতা হাসানুল হক ইনু’র নেতৃত্বে জোরালো ভূমিকা রাখছে দেশ গঠনে। তৎকালীন জাসদের অপকর্মের জন্যে ব্যাক্তিগতভাবে অনুতপ্ত জাতীয় নেতা হাসানুল হক ইনু একজন দেশের সফল তথ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশের প্রেস ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা নিশ্চিন্তে কাজ করে যেতে পারছেন দেশের কল্যাণে।

উপমহাদেশের সুঐতিহাসিক ও প্রবীণ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্মদিন আজ। এ উপলক্ষে আমি বিশেষ এই লেখাটি লিখতে বসে প্রাসঙ্গিকভাবে অনেক বিষয়ের অবতারণা করতে বাধ্য হয়েছি। কারণ, বাংলাদেশে আমার বয়েসী যারা রয়েছেন কিংবা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এখনো বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাসের অনেক কিছু লুকায়িত রয়ে গেছে ইতিহাস বিকৃতকারীদের পাপের ফসল হিসেবে। এছাড়া আমাদের প্রধানমন্ত্রীও আশা করি সচেতন থাকবেন, ক্ষমতায় থাকাকালে সুযোগ সুবিধাভোগী কেউ কেউ যেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শাসনামলের ন্যায় গুপ্ত ষড়যন্ত্র করে দেশের সর্বনাশ করতে না পারে। আজকের এই দিনে আমি শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে দোয়া প্রার্থনার অনুরোধ করছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আরো এগিয়ে যাক বাংলাদেশ- এই প্রত্যাশা করি। শীঘ্রই বাংলাদেশ বিশ্বসেরা হবে- এই স্বপ্ন দেখি।

লেখকঃ নির্বাহী সম্পাদক, গ্লোবাল টিভি    

            

এমএস


oranjee