ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • দেশে ইন্টারনেটের গতি বুধবার থেকে কমতে পারে
  • গুগলের ডিরেক্টর হলেন প্রথম বাংলাদেশি জাহিদ সবুর
  • মাইক্রোসফটের বাজার মূল্য লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে
  • মঙ্গলে ভূমিকম্প!
  • যেভাবে ফেসবুকে ‘ডার্ক মোড’ ব্যবহার করবেন
  • পিক্সেল ৩ ফোনের ত্রুটি থাকায় অর্থ ফেরত চেয়ে মিলল একই মডেলের ১০ টি ফোন

ফেসবুক ভেঙে দেওয়া উচিত: বললেন ফেসবুকেরই সহপ্রতিষ্ঠাতা!

গ্লোবালটিভিবিডি ১২:২৩ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০১৯

ফাইল ছবি

‘ঘৃণা ও ভুয়া খবর’ ঠেকাতে ব্যর্থতার কারণে এখনই বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককে ভেঙে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ক্রিস হিউজেস।

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ কথা বলেন ক্রিস হিউজেস।

তিনি আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থীদের দেওয়া উসকানি বন্ধ করতেও ব্যর্থ হয়েছে ফেসবুক।’

ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের কন্টেন্ট বিক্রি করে বিপুল অর্থ আয় করছে বলেও অভিযোগ করেন ক্রিস। তিনি বলেন, ‘ফেসবুকের ২০০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী ক্ষমতাহীন ও অসহায়। আর অপরদিকে, ফেইসবুক তার ব্যবহারকারীদের কন্টেন্ট বিক্রি করে একচ্ছত্র বিপুল অর্থ আয় করছে। তাই এখনই ফেসবুক ভেঙে দেওয়ার সময়।’

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জুকারবার্গের ক্ষমতা ও তার একক আধিপত্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্রিস হিউজেস। তিনি বলেন, ‘মার্কের ক্ষমতা প্রশ্নাতীত। প্রতিষ্ঠানে কোনো গণতন্ত্র নেই। ফেসবুকে প্রাইভেসি বা অন্য যেকোনো ত্রুটির কারণে জুকারবার্গকে দায়ী করতে হবে। এখনই ফেসবুকের একচ্ছত্র আধিপত্যে লাগাম টানা উচিত।’

২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় মার্ক জুকারবার্গ ও ডাস্টিন মস্কোভিৎজের সঙ্গে ফেসবুকের জন্ম দেন ক্রিস হিউজেস। ২০০৭ সালে ফেসবুক ছেড়ে দেন তিনি।

এর আগে ক্রমবর্ধমান বিতর্কের সমাধানের জন্য ফেসবুককে তিনটি পৃথক কোম্পানি হিসেবে ভাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন ফেসবুকের এই সহপ্রতিষ্ঠাতা। কিন্তু তার আবেদনকে প্রত্যাখ্যান করে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ফেসবুকের বিরুদ্ধে প্রায় নয় কোটি ব্যবহারকারীর গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার মতো কেলেঙ্কারি সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যা নিয়ে মার্কিন সিনেট ও ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মুখোমুখি হতে হয়েছে জুকারবার্গকে।

এএইচ/এমএস


oranjee