ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ | ৯ চৈত্র ১৪২৫

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • ওবায়দুল কাদের শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ: ডা. রিজভী
  • খালেদাকে মুক্ত করতে রাজপথে নামবে বিএনপি: রিজভী
  • শেখ হাসিনা ডাকসুর আজীবন সম্মানিত সদস্য: আপত্তি ভিপির
  • খালেদার সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
  • জিএম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দিলেন এরশাদ
  • ওআইসি সভায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান বাংলাদেশের
  • সড়ক দুর্ঘটনার কবলে রাশেদ খান মেনন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের সমালোচনা!

গ্লোবালটিভিবিডি ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০১৯

বিএনপি স্থায়ী কমিটির বৈঠক। ফাইল ছীব

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কড়া সমালোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির রাজনীতি যেন শুধু জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে সে বিষয়টি খেয়াল রাখার তাগিদ দিয়েছেন কেউ কেউ।

পাশাপাশি জামায়াত বিএনপির জন্য বোঝা হয়ে পড়েছে, এমন মতও উঠে এসেছে বৈঠকে।

বৈঠকসূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রাত ৭টা থেকে আড়াই ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার এ বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দলের সাংগঠনিক অবস্থার চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপির মাধ্যমে বৈঠকে সংযুক্ত হন। তিনি সব নেতার বক্তব্য শোনেন। পরে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মত দেন যে, বিএনপির রাজনীতি এখন অনেকটাই জোটকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। ২০-দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে বের হতে হবে। এ জন্য নিজেদের মেধা, শ্রম ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সংগঠন শক্তিশালী করার বিষয়ে তারা একমত পোষণ করেছেন।

বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও জামায়াত ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়ে নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। এর বাইরে ডাকসু নির্বাচন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও মামলা প্রসঙ্গেও নেতারা বক্তব্য রাখেন। নেতাদের এসব বক্তব্যের সারমর্ম তৈরি করে দুই-একদিনের মধ্যে তারেক রহমানকে পাঠানোর জন্যও সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বৈঠকে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ সারমর্ম তৈরি করবেন।

বিএনপিকে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার পরামর্শ দিয়ে অনেকে বলেন, এখন নির্বাচন শেষ। এ নির্বাচনে যা অর্জন হওয়ার তা হয়েছে। তাই এবার এসব ঐক্যফ্রন্ট রাজনীতিকে বন্ধ করে নিজেদের সমতা বাড়াতে হবে। দলকে গোছাতে হবে। সারা দেশে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে হবে বলেও তিনি মনে করেন।

সূত্রে জানা গেছে, ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করা সুলতান মোহাম্মদ মনসুরের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার বিষয়টি আলোচনায় তোলেন একজন সদস্য। এই প্রসঙ্গ উঠলে অন্যরাও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতার সমালোচনা করেন। তার পর সংসদ নির্বাচনের আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন কতটুকু সঠিক ছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

আরেকজন স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জামায়াতকে জোটে রাখার বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, জামায়াত নানা কারণে বিএনপির জন্য দায় হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া কয়েক বছর আগে যে বাস্তবতায় জামায়াতের সঙ্গে জোট করা হয়েছিল সেটি আর এখন নেই। এখন জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। আন্দোলনেও তাদের পাশে পাওয়া যায় না। এমতাবস্থায় তাদের জোটে রেখে লাভ নেই বলে মত দেন তিনি।

নেতাদের বক্তব্যের একপর্যায়ে তারেক রহমান বক্তব্য দেন। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতা ছাড়াও জেলাপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য পরামর্শ দেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবীর সঙ্গেও নিজেদের সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে তাগিদ দেন।

এএইচ/


oranjee

আরও খবর :