ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

 
 
 
 

গ্লোবাল টিভি অ্যাপস

বিষয় :

ঢাকা

  • ছাত্রলীগ কমিটির ‘বিতর্কিত’ ৯৯ জনের নাম প্রকাশ করলেন পদবঞ্চিতরা
  • এবারের ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা
  • ছাত্রলীগের ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির ১৭ অভিযুক্ত শনাক্ত
  • ২২ মে থেকে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু
  • ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
  • ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে ঢাবিতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ডাকসুর তিন নেতাসহ আহত ৮
  • ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

২০ টাকার ভাড়া ৪০ টাকা: ক্ষুব্ধ পর্যটক

গ্লোবালটিভিবিডি ৫:১৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ০৭, ২০১৯

ছবি- সংগ্রহ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের বীচ ছাতার নিচে বসলেই পর্যটকদের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। এ নিয়ে প্রায়শ:ই বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছে পর্যটক এবং ভাড়া আদায়কারীরা। প্রভাবশালী এসব বীচ ছাতার মালিকদের হাতে পর্যটকদের হতে হয় লাঞ্ছিত।

জানা যায়, সমুদ্র জলরাশিসহ প্রকৃতি উপভোগ এবং শ্রান্তি বিনোদনের জন্য কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পশ্চিম ও পূর্ব পার্শ্বে প্রায় ১০০টি বীচ ছাতাসহ বেঞ্চ পেতে রাখা হয়েছে। এসব বীচ ছাতা ও বেঞ্চের মালিক রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র।

পশ্চিম পাশের ১৫টি বেঞ্চের মালিক কুয়াকাটা পৌর যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক বেলাল খলিফা, ১১টির মালিক তার ভাই আকাশ খলিফা, ৪০টির মালিক জাহঙ্গীর, সেলিম, মাসুদ, ফজলু খাঁ। ছয় মাস পূর্বেও এসব বীচ ছাতা ও বেঞ্চ প্রতি ঘণ্টায় পর্যটকদের কাছ থেকে নেয়া হত কুড়ি টাকা। বর্তমানে খলিফা ট্যুরিজমসহ বিভিন্ন ট্যুরিজমের নামে রিসিভ কেটে আদায় করা হচ্ছে চল্লিশ টাকা। কোন পর্যটক যদি অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ভাড়া আদাকারীদের হাতে প্রায়ই হতে হচ্ছে লাঞ্ছিত।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আভিযোগ, এসব ঘটনায় পর্যটন নগরী কুয়াকাটার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনামকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ।

তাদের অভিমত, বীচ ছাতা ও বেঞ্চ মালিকদের দ্রুত নিয়ন্ত্রণসহ নীতিমালার আওতায় আনা না হলে এর প্রভাব পড়বে কুয়াকাটা পর্যটন শিল্পে।

ঢাকা থেকে স্বপরিবারে বেড়াতে আসা পর্যটক জহির জানান, ‘সমুদ্র স্নানের সময় বেঞ্চে জামা কাপড় রেখে যাওয়ায় ঘন্টা প্রতি চল্লিশ টাকা ভাড়া দাবি করা হয়। অতিরিক্ত ভাড়া প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করলে পরিবারের সামনেই লাঞ্ছিত হতে হয়েছে ভাড়া আদায়কারীর হাতে।

খুলনা থেকে ঘুরতে আসা আবদুর রহমান জানান, এখানে বেঞ্চের ভাড়া অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে। মনে হচ্ছে এসব দেখভাল করার কেউ নেই।

ছাতা ও বেঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি বেলাল খলিফা বলেন, ছাতা ও বেঞ্চ আধুনিক করা হয়েছে। তাই ঘন্টা প্রতি কুড়ি টাকার পরিবর্তে চল্লিশ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

কুয়কাটা পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। যদিও এটি পৌরসভার আওতাভুক্ত নয়, তবুও বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. তানভীল রহমান বলেন, তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এমআই/এমএস


oranjee